কৌতুক

মন্টু: দ্যাখ দেখি কাণ্ড! কাল আমার বিয়ে। এদিকে মেয়েবাড়ি থেকে বলেছে বরযাত্রায় খুব বেশি লোক না নিতে। খুবই টেনশনে আছি।

শফিক: কেন? টেনশনের কী আছে?

মন্টু: বাবা আমাকে নিয়ে যাবেন কি না কে জানে!

নতুন বউয়ের রান্না করা খিচুড়ি মুখে দিয়েই মুখ কুঁচকালেন স্বামী। বললেন, ‘কী খিচুড়ি রেঁধেছ? একদম গোবরের মতো স্বাদ।’

বউ বললেন, ‘হায়! এই লোক না জানি আর কী কী খেয়ে দেখেছে!’

শিক্ষক: ইমন, তুমি হোমওয়ার্ক করোনি কেন?

ইমন: স্যার, আমি তো হোস্টেলে থাকি। আপনি হোমওয়ার্ক করতে বলেছেন, হোস্টেলওয়ার্ক তো করতে বলেননি।

পান করতে করতে চিৎকার করে কাঁদছিল জন। একজন জিজ্ঞেস করল, ‘কী, কাঁদছ কেন?’

জন বলল, ‘যে মেয়েটাকে ভোলার জন্য পান করছি, তার নাম মনে পড়ছে না!’

হরিপদ বেজায় কৃপণ। একদিন তাঁর বাড়িতে হাজির হলেন তাঁর বন্ধু শশধর।

শশধর: কিরে হরিপদ, তোর বাড়িতে এলাম, কিছু খাওয়াবি না?

হরিপদ: কী খেতে চাস, বল। ঠান্ডা, না গরম?

শশধর: নিয়ে আয়। ঠান্ডা গরম দুটাই খাব।

হরিপদ হাঁক ছাড়লেন, ‘কই রে জগাই, ফ্রিজ থেকে এক গ্লাস ঠান্ডা পানি আর চুলা থেকে এক গ্লাস গরম পানি নিয়ে আয়!’

মুখ ঝামটা মেরে পাপিয়া বেগম তাঁর ছেলে পল্টুকে বললেন, ‘নালায়েক! তুই আবার ফেল করেছিস? পাশের বাসার রুমকীকে দেখ, কত্ত ভালো রেজাল্ট করেছে ও!’

পল্টু: ওকে আর নতুন করে কী দেখব? পরীক্ষার হলে বসেও ওকে দেখছিলাম বলেই তো আজ এই দশা!

নিজের দুমড়ে-মুচড়ে যাওয়া গাড়িটার পাশে বসে বিলাপ করে কাঁদছিল সর্দারজি, ‘আমার মুরগিটার কী হলো গো! আমার সুন্দর লাল মুরগি!’

এক পথচারী দেখে থমকে গেলেন। বললেন, ‘সে কী সর্দারজি! আপনার এত দামি গাড়ির এই হাল হলো কী করে?’

‘আর বলবেন না, গাড়িটা রাস্তার পাশে রেখে আমি গিয়েছিলাম একটু দোকানে। কথা নেই বার্তা নেই, এক ট্রাকড্রাইভার তার বেঢপ ট্রাকটা আমার গাড়ির  ওপর উঠিয়ে দিল। আর গাড়ির পেছনে থাকা আমার মুরগিটা গেল মরে। ও আমার সুন্দর লাল মুরগি! কী হবে আমার!’ বলে আবার বিলাপ করে কাঁদতে লাগলেন সর্দারজি।

পথচারী ভ্রু কুঁচকে বললেন, ‘এত দামি গাড়িটা একেবারে ভেঙেচুরে গেল, আর  আপনি কিনা মুরগির জন্য কাঁদছেন?’

সর্দারজি বললেন, ‘আরে বোকা, গাড়ি দিয়ে কী হবে? গাড়ি তো আর প্রতিদিন দুটা করে ডিম দেয় না!’

সংগ্রহ: মো. সাইফুল্লাহ

মন্তব্য