দারুচিনি দ্বীপ

anisul haqআনিসুল হক

জীবনানন্দ দাশ দারুচিনি দ্বীপ বলতে কোন জায়গা বুঝিয়েছিলেন? সিংহল সমুদ্র থেকে যেহেতু যাত্রা শুরু করেছিলেন, কাজেই এটা শ্রীলঙ্কা হওয়ার সম্ভাবনা আছে। আর আমাদের শ্রীলঙ্কা সফরকারী আটজনের দলের অন্যতম রাফাত বিনতে রশীদ খুবই পছন্দ করেন দারুচিনি। সিনামন। তাঁর চা হওয়া চাই দারুচিনির, তাঁর লোশন হওয়া চাই দারুচিনির। শ্রীলঙ্কা সত্যি সত্যি বিখ্যাত দারুচিনির জন্য, ওরা পর্যটকদের যা যা দেখায়, তার মধ্যে মসলার বাগান খুবই গুরুত্বপূর্ণ। অবশ্যই সেসব বাগানে দারুচিনির গাছ আছে বীর বিক্রমে। কাজেই, আমার কোনো সন্দেহ নেই যে শ্রীলঙ্কাই হলো জীবনানন্দ দাশের ‘বনলতা সেন’ কবিতার দারুচিনি দ্বীপ।

আমরা হাল ভেঙে দিশা হারিয়ে দারুচিনি দ্বীপে যাইনি। গিয়েছি প্যাকেজ টুরে। ছয় দিনের সফর। প্রত্যেকের খরচ পড়বে ৮০ হাজার টাকা। এতে ঢাকা-কলম্বো উড়োজাহাজের খরচ, ওই দেশে গাড়ি করে ঘোরা আর হোটেলে থাকা হয়ে যাবে। ২০১৩ সালের আগস্টে আমরা উঠে বসলাম মিহির লঙ্কায়। আড়াই ঘণ্টার ফ্লাইট।

এয়ারপোর্ট সুন্দর। ইমিগ্রেশনের কর্তারা খালি হাসেন। অন অ্যারাইভাল ভিসা নিতে হলো। কোনো ঝামেলাই হচ্ছে না। কিন্তু হাল ভেঙে নাবিক দিশা না হারালে সবুজ ঘাসের দেশ দারুচিনি দ্বীপে ঢোকার আনন্দটা আমরা পাব কই। যে শান্তি কেবল দিতে পারে নাটোরের বনলতা সেন?

ঘটল একটা ঘটনা। লাগেজ বেল্ট ঘুরছে। সবার লাগেজ এসে গেল। আমাদের শাহরিয়ার (প্রথম আলোয় বেসিক আলী কার্টুন আঁকেন, ডেইলি স্টার-এর দুঁদে সাংবাদিক), তাঁর স্ত্রী ডেইলি স্টার-এর লাইফস্টাইলের সম্পাদক রাফাত, তাঁদের মেয়ে দানিশা পরিবারের একটা বড় স্যুটকেস এল না। শাহরিয়ার বললেন, ‘অভিযোগ করতে হবে, আমার লাগেজের ট্যাগ কই।’ টিকিটের এক পাশে ছয়টা ট্যাগ ছিল, অন্য পাশে ছিল দুটি শাহরিয়ার সেটা দেখেননি। তিনি বললেন, ‘ট্যাগ তো নাই, তার মানে আমাদের লাগেজ ঢাকা থেকে রওনাই হয়নি।’ রাফাতের জ্ঞান হারানো উচিত, শাহরিয়ার গরগর করছেন। কিন্তু রাফাত টিকিটটা উল্টে বললেন, ‘এই যে, এই পাশে দুটো ট্যাগ।’ আমরা অভিযোগ করতে যাব, এই সময় দানিশা চিৎকার করে উঠল, ‘এই যে আমাদের লাগেজ।’ সেটা অন্য দেশ থেকে আসা অন্য ফ্লাইটের বেল্টে ঘুরছে। এটা তো হওয়ার কথা নয়। কিন্তু কী করে হলো! এয়ারপোর্টের লোকেরা বলল, কেউ ভুল করে ওটা নিয়েছিল, পরে ওটা তাদের নয় দেখে ভুল বেল্টে তুলে দিয়ে চলে গেছে। কী বিড়ম্বনা!

যাক, কোনো লাগেজ হারায়নি। এর মধ্যে আমি ১৩ ডলার দিয়ে শ্রীলঙ্কার সরকারি মুঠোফোনের সিম কিনে নিলাম। অন্যরাও নিলেন। ডলারও কিছু ভাঙানো হলো। এক ডলারে শ্রীলঙ্কান রুপি ১৩১। টাকার চেয়ে সস্তা। আমরা ট্রলি ঠেলে এয়ারপোর্টের বাইরে বেরোলাম। আমি, মেরিনা, পদ্য, শাহরিয়াররা তিনজন, রঞ্জনা আর তার মেয়ে অনসূয়া। এয়ারপোর্টের বাইরেই সারি সারি নারকেলগাছ আমাদের অভিবাদন জানাল। লাগেজ হারিয়ে লাগেজ ফিরে পাওয়ার আনন্দ যে পাখির নীড়ের মতোই শান্তি দেয়, সেটা নিশ্চয়ই রাফাত আর শাহরিয়ার অনুভব করছেন।

এয়ারপোর্টেই আমাদের স্বাগত জানিয়েছেন আমাদের টুর অপারেটরের প্রতিনিধি। সুন্দর, বড় একটা গাড়ি এল, আমরা তাতে উঠলাম। এই গাড়িটাই এই ছয় দিন আমাদের সঙ্গে থাকবে। গাড়ি যাবে হোটেলে। হোটেল বারজায়া। সমুদ্রের ধারে। কিন্তু সেখানে যাওয়া মানে যে গাজীপুর থেকে কুমিল্লা যাওয়া, সে ধারণা তো আর আমাদের ছিল না। যাচ্ছি যাচ্ছি…যেতে যেতে…দুপুর গড়িয়ে বিকাল। তখন আমরা রাস্তার ধারে একটা রেস্টুরেন্টে দাঁড়ালাম।

নানা ধরনের খাবার সাজানো। রাফাত সারাক্ষণ টেলিভিশনে  ট্রাভেল অ্যান্ড লিভিং চ্যানেল দেখেন। তিনি খাবার দেখে চিনে ফেললেন, বললেন, ‘উহ্, এইটা তো ট্র্যাভেল অ্যান্ড লিভিংয়ে পিটার কুরুভিটার “মাই শ্রীলঙ্কা”য় দেখেছি। এর নামই “ওপাস ওপাস”। আরে, এই তো দেখা যাচ্ছে “মালু পান”!’

ওপাস ওপাসটা আসলে এগ হপারস। অনেকটা আমাদের চিতই পিঠার মধ্যে ডিম পোচ দিলে যা হতো, সে রকম। খেতে দারুণ। অবশ্যই নারকেল আছে সবকিছুতে।

হোটেলে পৌঁছাতেই সন্ধ্যা হয়ে এল। একেবারে সমুদ্রসৈকত ঘেঁষে হোটেলটা। আমরা সন্ধ্যার পর গেলাম সৈকতে। সৈকতের রেস্তোরাঁয় বসে নৈশভোজের অর্ডার দিয়ে সমুদ্র দেখছি।

ভাবছি, সুনামির কথা। মনে পড়ছে, সুনামি কীভাবে মানুষজন ভাসিয়ে নিয়ে গিয়েছিল, টিভিতে দেখা সেই দৃশ্য। শ্রীলঙ্কায় সলিলসমাধি ঘটেছিল প্রায় ৩৫ হাজার মানুষের।

যেই না ভাবছি, অমনি পুরো বিচ উঠল কেঁপে, বিকট শব্দ করে কী যেন ধেয়ে আসছে। সুনামি ভেবে কলেমা পড়ে নেওয়ার পর বুঝলাম, পাশেই একটা রেললাইন, ট্রেন যাচ্ছে। সুনামির চেয়ে ট্রেন অনেক ভালো।

শিক্ষিত জাতি তো!

পরের দিন আমরা বেরোলাম কলম্বো শহর দেখতে। পুরো শ্রীলঙ্কাই খুব পরিষ্কার। রাস্তায় একটা ময়লাও পড়ে নেই। রঞ্জনা বললেন, ‘হবে না, শিক্ষিত জাতি তো!’ বাংলাদেশের তুলনায় লোকসংখ্যাও কম। আয়তনে বাংলাদেশের অর্ধেক, জনসংখ্যায় বাংলাদেশের আট ভাগের এক ভাগ।

ওদের স্বাধীনতা চত্বরে যাওয়া হলো। সিংহের মূর্তি আছে। ফোয়ারা। বড় মনুমেন্ট। একদিকে সবুজ পার্ক। সুন্দর। সিংহের পাশে দাঁড়িয়ে ছবি তোলার সুবর্ণ সুযোগ। কিন্তু আমাদের শুধু টানে শপিং মল। ওডেল নামে ওদের দোকান খুবই বিখ্যাত, আমাদের আড়ং-এর মতো। আছে কটন কালেকশন। ঘুরেফিরে আমরা শপিং মলে গেলে স্বস্তি পাই। আর আমাদের একটা লক্ষ্য হলো কুমার সাঙ্গাকারার রেস্টুরেন্ট মিনিস্ট্রি অব ক্রাবসে যাওয়া। সেই এলাকাটা ওদের বাণিজ্যিক এলাকার কাছে। এত সুন্দর একটা জায়গা ওরা বানিয়ে রেখেছে। একপাশে গগনচুম্বী ভবন। আরেক দিকে এই একতলা পরিপাটি মল। সাঙ্গাকারার রেস্তোরাঁর দরজায় দাঁড়িয়ে মূল্য তালিকা পড়ে আমরা আর ভেতরে ঢুকলাম না। বাইরে দাঁড়িয়েই ছবি তুলে নেওয়ার কাজটা সেরে আমরা চললাম ওই যে ন্যাচারস সিক্রেটের শোরুমে। ওখানে সব দারুচিনি ও ভেষজ প্রসাধনী পাওয়া যায়।

আমাদের বিকালটা কাটল গল ফেস সৈকতে। সন্ধ্যায় এখানে মানুষের মেলা বসে। সমুদ্রের ধারটা বাঁধানো। বড় বড় ঢেউ এসে আছড়ে পড়ছে সেই বাঁধানো ঘাটে। একপাশে রাস্তার ধারে বসে আছে প্রেমিক যুগলেরা। সারি সারি। প্রত্যেকের হাতে একটা করে ছাতা, পশ্চিমমুখী সমুদ্রে অস্তগামী সূর্যের আলো ও দর্শনার্থীদের দৃষ্টি থেকে নিজেদের আড়াল করতে। এত যে মানুষ, তালিকাভুক্ত সারি সারি খাবারের ফেরিওয়ালা ভ্যান, সেখানে চিংড়ি কাঁকড়া ভাজা বিক্রি হচ্ছে, কিন্তু একটা কাগজ কেউ সৈকতে ফেলছে না।

কমলা ডাব লাল কলা!

পরের দিন গাড়িতে উঠে আমরা চললাম শৈল শহর ক্যান্ডি অভিমুখে। পথেই আমাদের নামানো হলো মসলার বাগানে। ড্রাইভারকে জিজ্ঞেস করলাম, আমরা যা কিনব, তুমি কত পাবে? সে বলল, ‘ফাইভ পারসেন্ট।’ মসলার বাগানে গাইডেড টুর সেরে মসলাপাতি কিনে আমরা আবার এসে গাড়িতে বসলাম। রাতের বেলা ক্যান্ডি শহরের সুপার মলে ঢুকে সবাই চুল ছিঁড়ছিল। কারণ, বাগান থেকে যা বহু দাম দিয়ে কেনা হয়েছে, এখন এখানকার দোকানে তার দাম মনে হচ্ছে পানির দর।

আরেকটা দারুণ জায়গায় যাওয়া হলো। হাতিদের অনাথ আশ্রম। এলিফ্যান্টস অরফানেজ।

পাশেই একটা পাহাড়ি নদী। বেশ চওড়াই নদীটা। খাড়া পাড়। ভেতরে পাথরখণ্ড। আমরা যখন গিয়েছি, তখন হাতিদের গোসল করানো হবে। আমরা চললাম নদীর ধারে। হাতি আসতে লাগল। নেমে পড়ল নদীতে। কত হাতি। হাতিশাবক। বড় হাতি। আমার হিসাবে প্রায় ১০০টা হাতি। হাতিগুলো আমাদের পাশ দিয়ে হেঁটে হেঁটে উঠল। হাত বাড়িয়ে দিলাম। একটা এসে শুঁড় বাড়িয়ে আমার হাত চেটে দিল। হাতির স্নানদৃশ্য দর্শন শেষে এতিমখানাটা ঘুরে ঘুরে দেখা হলো। তারপর আমরা একটা ছোট্ট রেস্টুরেন্টে বসে একটু জিরিয়ে নিচ্ছি। এখানকার কর্মচারীরা সেখানে দুপুরের খাবার খাচ্ছেন। ভাত, সবজি, ডাল, ওটা কী, মাছের তরকারি? অনুসূয়া বলল, ‘আমি ভাত খাব।’ আমরাও বললাম, আমরাও ভাত খাব। মাছটা মনে হলো ইলিশের শুঁটকি। আমরা তাদের ভাত-ডাল গপাগপ খেয়ে নিলাম। বাংলাদেশের টাকায় ১০০ টাকারও কম খরচে আমরা পেট ভরে ভাত খেয়ে যে তৃপ্তিটা পেয়েছি, তার ঢেকুর এখনো তোলা চলে।

শ্রীলঙ্কার রাস্তার ধারে দুটো জিনিস দেখেছি। এক. তাদের কাঁচা ডাবের রং কমলা। আর পিনাওয়ালার হাতির এতিমখানা থেকে ফেরার পথে দেখলাম লাল রঙের কলা। গাড়ি থেকে নেমে কলা কেনা হলো, কলার ছবি তোলাও হলো।

আস্তে আস্তে গাড়ি পাহাড়ের ওপরে উঠছে। ঘুরে ঘুরে এত উঁচুতে উঠে গেল যে নিচে তাকিয়ে দেখলে ভয় লাগে। একটা ঝুল বারান্দাওয়ালা রেস্তোরাঁয় দুপুরের খাবার খেয়ে নিল মেরিনা আর পদ্য, যারা আমাদের হাতির এতিমখানার সস্তার ভাত খেতে অস্বীকার করেছিল। তাকিয়ে দেখি, পাহাড়ের গা বেয়ে রেলগাড়ি যাচ্ছে। কী তাজ্জব ব্যাপার।

ক্যান্ডি শহর দেখে আমাদের চোখ জুড়িয়ে গেল। শহরের মধ্যখানে সরোবর। আমাদের বুদ্ধের দন্ত ধাতু মন্দিরের সামনে স্বাগত জানালেন উপালি শ্রমণ, বাংলাদেশি, পার্বত্য চট্টগ্রাম এলাকার ছেলে, এখানে পড়াশোনা করছেন (এখন চলে গেছেন হার্ভার্ডে)।

আমরা পাহাড়ের ওপরে একটা হোটেলে থাকলাম। সেখান থেকে নিচের শহরের লেক আর আলো দেখা যাচ্ছে। শহরে গিয়ে তাদের সবচেয়ে চালু রেস্টুরেন্টটায় খাওয়া হলো উর্দি পরা বাদশাহি ওয়েটারদের পরিবেশনায়। আর সুপার স্টোরে ঢুকে কেনা হলো মসলাসহ যাঁর যা দরকার। বাটার দোকান থেকে এক জোড়া স্যান্ডেল কিনেছি, যার দাম তাদের টাকায় এক হাজার ৫০০, আমাদের টাকায় ৯০০, ঢাকা শহরে ব্যাপক প্রশংসিত হয়েছে, আমার পদমর্যাদা এখন বেশ বেড়ে গেছে বলতে হবে।

এর পরের যাত্রা ক্যান্ডি থেকে গল। সমুদ্র, ওলন্দাজ আর পর্তুগিজ স্থাপনার জন্য গল বিখ্যাত। কিন্তু আমরা মুগ্ধ হলাম হোটেল দেখে। বিশাল বিশাল রুম, কালো কাঠের কারুকাজ করা আসবাব, বারান্দাগুলো সমুদ্রের ধারে, রেস্টুরেন্ট লবি—সবকিছুতেই আছড়ে পড়ছে সমুদ্রের ঢেউ। জেট উইংগ লাইট হাউস হোটেলটার রুম থেকে সমুদ্র দেখা যায়। বারান্দায় বসলে উড়িয়ে নিয়ে যেতে চায় সমুদ্রের বাতাস। বিচ ধরে হাঁটলে কেয়াপাতার বনে হারিয়ে যাওয়া যায়। এমনকি সমুদ্রের মধ্যে বড় পাথরখণ্ডটা বেয়ে ওঠার পর নিজেকে হিলারি-তেনজিং বলেও মনে হতে পারে।

শ্রীলঙ্কা কেন শ্রীলঙ্কা?

কলম্বো থেকে গল যাওয়ার জন্য একটা হাইওয়ে তারা বানিয়েছে। আমি কিন্তু যুক্তরাষ্ট্র, জাপান, অস্ট্রেলিয়া, মিসর, তুরস্ক, আফ্রিকা, কানাডাসহ নানা দেশের হাইওয়েতে ব্যাপক ভ্রমণ করেছি। শ্রীলঙ্কার এই হাইওয়ের মতো মহাসড়ক খুব কমই আছে।

তবে সমুদ্রসৈকত যদি বলি, একেক দেশেরটা একেক রকম। কারও সঙ্গে তো কারও তুলনা চলে না। আপনি টেকনাফ থেকে কক্সবাজারে যাবেন সৈকত ধরে। মাঝখানে কিছু জায়গা আছে দুনিয়ার বাইরে। একদিকে পাহাড়, একদিকে সমুদ্র—বালুর সৈকত, গাঙচিল। একটা-দুইটা জেলের সাম্পান পড়ে আছে বেলাভূমিতে, কোনো মানুষ নেই। ওইটাই শ্রেষ্ঠ বলে আমার মনে হয়।

দারুচিনি দ্বীপে আমরা কোনো বনলতা সেনের দেখা পাইনি। পাওয়ার কথাও নয়। কারণ, বনলতা সেন সেখানে থাকেন না, তিনি থাকেন নাটোরে, যা কিনা বাংলাদেশে অবস্থিত। নাটোরে গেলেও তাকে পাবেন না, তাকে পাবেন কবির মনোভূমিতে। কিন্তু দারুচিনি দ্বীপ থেকে অনেক পরিমাণ দারুচিনি কিনে আনা হয়েছে। বন্ধুবান্ধব-স্বজনদের মধ্যে সেসব বিলি করা হচ্ছে। আর আনা হয়েছে দারুচিনি মেশানো নানা কিছু। আপনি যদি রাফাতের বাসায় যান, অবশ্যই আপনাকে সিনামন চা খাওয়ানো হবে।

এখন বলুন তো শ্রীলঙ্কার নাম শ্রীলঙ্কা হলো কেন? আপনারা যে যাই বলুন না কেন, আমি বলব, উত্তরটা নিহিত রয়েছে ওদের তরকারিতে, ভীষণ ঝাল। অতিরিক্ত লঙ্কা খায় বলেই ওরা শ্রীলঙ্কা! হা হা হা!

মন্তব্য