কৌতুক

ডাক্তারের কাছে গিয়ে শফিক দেখল, চেম্বারের দরজায় বড় করে লেখা আছে, ‘প্রথমবার ৫০০ টাকা, এরপর ৩০০ টাকা।’ ২০০ টাকা বাঁচাতে সে মনে মনে একটা বুদ্ধি আঁটল।

ডাক্তারের রুমে ঢুকেই বলল, ‘ডাক্তারসাহেব, আবার এলাম। আমার অসুখ তো ভালো হলো না।’

ডাক্তার ভ্রু কুঁচকে তাকালেন। মনোযোগ দিয়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করলেন। তারপর বললেন, ‘আগে যে ওষুধগুলো দিয়েছিলাম, সেগুলোই চলবে। এবার ঝটপট ৩০০ টাকাদিন।’

 

শিক্ষক :তোমার এত দেরি হল কেন?

ছাত্র :ঐ রাস্তাতে একজনের একটা পাঁচশো টাকার নোট হারিয়ে গেছিল।

শিক্ষক :আচ্ছা, তুমি তাকে টাকাটা খুঁজতে সাহায্য করছিলে?

ছাত্র :না, আমি টাকাটার ওপর দাঁড়িয়ে ছিলাম।

 

প্রেমিক তার প্রেমিকার চোখের দিকে তাকিয়ে বলল, তোমাকে দেখে মনে হচ্ছে, তুমি পৃথিবীর অষ্টম আশ্চর্য।

শুনে প্রেমিকা বলল, তাই নাকি! তাহলে আগের সাতজন কে কে শুনি!

 

এক পাগল ডোবার পাশে দাঁড়িয়ে চিত্কার করছে – পাঁচ পাঁচ পাঁচ।

পাশ দিয়ে এক লোক হেঁটে যাচ্ছিল। সে অবাক হয়ে বলল, ‘তুমি এভাবে পাঁচ পাঁচ পাঁচ বলে চিত্কার করছ কেন?’

তখন পাগলটি বলল, ‘তুমি কাছে আসো তোমাকেও দেখাই।’

লোকটি কাছে যেতেই পাগলটি ধাক্কা মেরে তাকে ডোবার মাঝে ফেলে দিয়ে বলতে লাগল – ছয় ছয় ছয়।

 

শফিক সাহেব অসুস্থ হয়ে কয়েক সপ্তাহ হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন। এ সময় একজন হাসপাতালকর্মী তাকে খুব সাহায্য-সহযোগিতা করেন। এ কারণে সুস্থ হওয়ার পর হাসপাতাল ছেড়ে চলে যাওয়ার দিন শফিক সাহেব তাকে বেশ ভালো বকশিশ দিলেন। এত বকশিশ পেয়ে ওই কর্মচারী আনন্দে কেঁদে ফেলে বলল, ‘আবার আসবেন, স্যার।’

 

দুই মাতাল এমন মদ খেয়েছে যে ঠিকমতো হাঁটতেই পারছে না। তো এক বিল্ডিং দেখে এক মাতাল আরেক মাতালকে বললো, দেখ, কতো সুন্দর ওই বিল্ডিংটা! চল, ওটাকে ঠেলে আমাদের বাসায় নিয়ে যাই। তো দুই মাতাল মিলে সমানে বিল্ডিংটাকে ঠেলতে লাগলো। একটু পরেই পরিশ্রম ওদের শরীর থেকে দরদর করে ঘাম ঝরতে লাগলো। তখন ওরা ওদের জামা খুলে আবার সমানে বিল্ডিংটাকে ঠেলতে লাগলো।

একটু পর এক চোর ব্যাপার-স্যাপার দেখে পিছন থেকে ওদের জামা নিয়ে চুপচাপ সরে পড়লো। একটু পর প্রথম মাতাল ওদের জামাগুলো নাই দেখে আরেক মাতালকে বললো-

:কিরে, আমাদের জামা গেল কৈ?

:আরে, আমরা তো বিল্ডিংটাকে ঠেলতে ঠেলতে অনেক দূরে নিয়ে এসেছি না!

:তাহলে চল, জামা দুটো নিয়ে আসি। নইলে আবার চোরে চুরি করে নেবে।

:কিন্তু বিল্ডিংটা যতো সুন্দর! চোর যদি বিল্ডিংটাই চুরি করে নিয়ে যায়?

:আচ্ছা, তাহলে এক কাজ করা যাক। বিল্ডিংটা নিয়েই চল!

এবার দুই মাতাল মিলে বিল্ডিংটাকে উল্টো দিকে ঠেলতে লাগল!

 

এক যুদ্ধবাজ নেতা তার দেশের সংসদে দাঁড়িয়ে যুদ্ধের পক্ষে যুক্তি দেখাতে গিয়ে বললেন-

আমরা যখন শান্তিপূর্ণ ভাবে শত্রুদের ওপর বিমান থেকে বোম ফেলছিলাম তখন তারা নৃশংসভাবে আমাদের বিমানগুলোর ওপর ঝাপিয়ে পড়ার চেষ্টা করে এবং আমাদের বিমান লক্ষ্য করে ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়ে মারে!

মন্তব্য