কৌতুক

অফিস থেকে বাড়ি ফিরে স্বামী বলল, ‘শুরু করার আগে ভাতটা দাও, খেয়ে নিই।’
স্ত্রী ভাত বেড়ে দিল। ভাত খেয়ে স্বামী ড্রয়িংরুমের সোফায় বসতে বসতে বলল, ‘শুরু করার আগে এক গ্লাস পানি দাও। বড্ড পানির পিপাসা পেয়েছে।’ স্ত্রী পানি দিয়ে গেল।
পানি খেতে খেতে স্বামী বিছানায় গিয়ে শুয়ে পড়ল। তারপর বলল, ‘শুরু করার আগে এক কাপ চা দাও না আমাকে।’
এইবার স্ত্রী গেল খেপে, ‘অ্যাই, পেয়েছ কী তুমি আমাকে, আমি তোমার চাকর? অফিস থেকে ফিরে একটার পর একটা খালি অর্ডার মেরেই যাচ্ছ…নির্লজ্জ, স্বার্থপর…’
স্বামী কানে তুলা গুজতে গুজতে বলে উঠলেন, ‘এই যে শুরু হয়ে গেল…!’

 ক্রেতা :কাল কি ডিম দিলেন ভাই? বাসায় নেওয়ার পর দেখি সবগুলো ডিমই কদিনের মধ্যে ফুটে বাচ্চা বের হওয়ার মতো অবস্থা।
বিক্রেতা :বলেন কি? ডিম ভেবে আপনাকে মুরগির বাচ্চা দিয়েছি! তাহলে তো ডিমপ্রতি আরও তিনটাকা করে দেবেন।

 প্রথম বন্ধু :তুই যা আয় করিস তাতে কি তোর চলে?
দ্বিতীয় বন্ধু :যা আয় করি তাতে চলে না, তবে যা ধার করি তাতে চলে যায়।

 পুলিশের প্রিজন ভ্যানে করে সাত-আটজন খুনের আসামি নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। পাহাড়ের পাশ দিয়ে বন্ধুর পথ ধরে ছুটে চলছে গাড়ি। হঠাত্ রাস্তা ব্যারিকেড দিয়ে আক্রমণ করল এক দল সন্ত্রাসী। পুলিশ আর গার্ডকে আহত করে দরজা ভেঙে খুনিদের মুক্ত করে দিল তারা। সবাই পালালো। কিন্তু একজন পালাল না। প্রিজন ভ্যানেই বসে রইল।
পরে পুলিশের রেসকিউ টিম এসে তাকে প্রশ্ন করল কী ব্যাপার, সবাই পালাল তুমি রয়ে গেলে যে?
মাথা খারাপ!
লোকটি জবাব দিল :এ বন জঙ্গলে গাড়িঘোড়া পাব কোথায় যে পালাব?

 এক সার্জেন্ট ২০ জন সেনাসদস্যের একটি দলের উদ্দেশে বললেন, ‘আমি ঠিক করেছি, তোমাদের মধ্যে সবচেয়ে অলস যে, তাকে সবচেয়ে সহজ কাজটা দেব। কে সবচেয়ে অলস? ১৯ জন সদস্যই হাত তুলল। সার্জেন্ট হাত না তোলা সদস্যটিকে জিজ্ঞেস করলেন, ‘তুমি হাত তুলছ না কেন?’
সৈন্য :স্যার, হাত তুলতে কষ্ট হয়।

 থানায় ফোন করে ছোট্ট একটি ছেলে বললো
ছেলে :পুলিশ ভাই, পুলিশ ভাই, শিগগির আমাদের বাড়িতে আসেন। একটা লোক আমার বাবাকে ধরে মারছে।
পুলিশ :কখন থেকে শুরু হলো এই ঘটনা?
ছেলে :তা প্রায় আধঘণ্টা হবে।
পুলিশ :তো এতক্ষণ ডাকোনি কেন?
ছেলে :এতক্ষণ তো আমার বাবাই ওদের ধরে আচ্ছামতো মারছিল!

 স্বামী অনেকক্ষণ ধরে কিছু একটা পড়ছিলেন। এটা দেখে স্ত্রী স্বামীর দিকে এগিয়ে গেলেন
স্ত্রী :এই, তুমি এতক্ষণ ধরে কী খুঁজছ?
স্বামী :কই! না না, কিছু না।
স্ত্রী :কিছু না মানে, আমি দেখলাম তুমি এক ঘণ্টা ধরে ম্যারেজ সার্টিফিকেটটা পড়ছ! ব্যাপার কী, বলো তো?
স্বামী :না, ইয়ে… মানে আমি এতক্ষণ ধরে দেখছিলাম ম্যারেজ সার্টিফিকেটের কোনো এক্সপায়ার্ড ডেট আছে কি না!

মন্তব্য