কৌতুক

সাক্ষীকে উকিল একটা ধমক দিলেন।

: আপনি বিয়ে করেছেন?

: জী, করেছি?

: কাকে?

:একটা মেয়েকে।

:যত্তসব, তাও আবার বলতে হয়। কখনো কাউকে

একটা ছেলেকে বিয়ে করতে দেখেছেন?

: জী দেখেছি আমার বোন করেছে।

এক লোক তার বন্ধুদের কাছ থেকে প্রায়ই এটা-ওটা চেয়ে নিতো। একদিন সে তার এক বন্ধুকে গর্ব করে বলছিল, আমার গায়ের শার্ট, প্যান্ট, জুতা, মোজা এমনকি টাইটা পর্যন্ত আমার বন্ধুদের কাছ থেকে পাওয়া। বলতে পারো শুধু গায়ের চামড়াটাই আমার।

বন্ধুটি তার উপর আগে থেকেই রেগে ছিল। বললো, চামড়াটাও তোমার নয় বন্ধু, ওটা গণ্ডারের।

 

দুই ব্যবসায়ী গল্প করছে-

: আচ্ছা ভাই, সংবাদপত্রে বিজ্ঞাপন দিয়ে কি কোনো কাজ হয়?

:মাঝে-মাঝে হয় বৈকি। গত মাসে বিজ্ঞাপন দিলাম – আমার

দোকানে একজন নাইটগার্ড চাই। সেই রাত্রেই দোকানে চুরি হলো।

: এ কী! অপারেশন থিয়েটার থেকে আপনি ছুটে পালাচ্ছেন কেন?

: কারণ নার্স বলছিলেন, ভয় পাবার কী আছে? এ তো খুব সহজ অপারেশন।

: নার্স ভালোই বলেছেন, তিনি আপনাকে সাহস দিচ্ছিলেন।

: আমাকে নয়, আমাকে নয় তিনি সাহস দিচ্ছিলেন ডাক্তারকে।

 

ট্যুরিস্ট: নদীতে নামতে পারি? কুমিরের ভয় নেই তো?

স্থানীয় লোক: নিশ্চিন্তে নামুন, এখন আর কুমিরের ভয় নেই। গত

দু’বছরে সবগুলো কুমির হাঙরে খেয়ে ফেলেছে।

: দাদি, তুমি বাদাম খেতে পারো?

: না দাদুভাই। কবে দাঁত পড়ে গেছে।

: তাহলে এই বাদামগুলো রাখো তো, আমি আপার কাছে চেয়ে

আরো কতগুলো নিয়ে আসি।

 

শিক্ষক :শেরশাহ প্রথমে ঘোড়ার ডাকের প্রচলন করেন।

ছাত্র :কেন স্যার, এর আগে কি ঘোড়ারা ডাকতে পারতো না?

 

এক ভদ্রলোক ঝরনার পানিতে গোসল করতে গেছেন। সেখানে প্রায়ই কাপড় চুরি হয়। তাই তিনি তার পোশাক খুলে তার ওপর একটা কাগজে লিখে রাখলেন -‘বিশ্বহেভিওয়েট মুষ্টিযোদ্ধা’।

গোসল করে উঠে দেখেন কাপড় নেই। এক টুকরো কাগজ পড়ে আছে। তাতে লেখা – ‘এক হাজার মিটার দৌড়ে বিশ্বচ্যাম্পিয়ান’।

একটা বাচ্চা-বানর আর ডুগডুগি নিয়ে ট্রেনে উঠলো এক লোক।

এক স্টেশন পরে এক লোক উঠলো তার শিশুপুত্রকে সঙ্গে নিয়ে।

বানর দেখে ছোট ছেলেটি তাকে বিরক্ত করতে লাগলো। বানরের কানে কাঠি ঢোকায়, লেজ ধরে টানে, খোঁচা মারে। বানরটা বেজায় বিরক্ত। লোকটিও।

এক সময় ছেলেটির বাবা বানরওয়ালাকে জিজ্ঞেস করলো, এটা বানরের বাচ্চা, না হনুমানের বাচ্চা?

বানরওয়ালা বলল, কোনটার কথা জিজ্ঞেস করছেন?

মন্তব্য