কৌতুক

মানুষখেকো জাতি!
মানুষখেকো মানুষের কথা ভাবতেই অনেকে ভয়ে কুকড়ে ওঠেন। পাপুয়া নিউগিনিতে ২৯ জন মানুষখেকো আটক করা হয় মানুষ খাওয়ার অপরাধে।
ইউকে টেলিগ্রাফ পত্রিকার একটি খবরে বিশ্ববাসী রীতিমতো হতবাক হয়ে যায়। কয়েকজন ডাক্তারের অস্বাভাবিক মৃত্যুরহস্য বের করতে গিয়ে পুলিশ তাদের সন্ধান পায়। পুলিশের ধারণা, প্রায় ৭০০ থেকে ১০০০ লোক এই গ্র“পের সদস্য এবং এরা সবাই কম-বেশি মানুষের মাংস ভক্ষণ করেছে।
এরা সবাই কমপক্ষে সাতজন মানুষকে সরাসরি হত্যা এবং ভক্ষণের সঙ্গে জড়িত। এ নিয়ে বিচার শুরু হয়। কোর্টে সবাই স্বীকার করেছে যে তারা ডাক্তার হত্যার সঙ্গে জড়িত ছিল।
তাদের ভাষ্যমতে, এসব ডাক্তাররা ভয়ঙ্কর কালো বা জাদুকরী বিদ্যাচর্চা করত। তারা ডাক্তারকে হত্যা করে তার মগজ ভক্ষণ করেছে। তারা দাবি করে কালো জাদুকর এই ডাক্তাররা বহু মানুষকে হত্যা করে এই জাদুবিদ্যা চর্চা করে আসছে।

স্বামী-স্ত্রীর আলাপচারিতা
স্ত্রী  : আচছা স্বর্গে বিয়ে হয় না?
স্বামী : না ।
স্ত্রী : কেন?
স্বামী : স্বর্গে যদি বিয়ে হয়, তাহলে সেটা আর স্বর্গ থাকবে না, দুদিনেই নরক হয়ে যাবে!

: এই, ডিমের হালি কত?
: ৩৫ টাকা। আর যদি ফাটাগুলো নেন তাহলে ২০ টাকা দিলেই চলবে।
: ঠিক আছে, ভালোগুলো থেকে এক হালি ডিম ফাটিয়ে দাও।

এক যুবক একদিন এক দর্জির দোকানে গেলো একটা প্যান্ট বানাতে।
: একটা প্যান্ট বানাতে চাই। কত দিন
লাগবে?
: কম করে এক মাস।
: কী বলছেন। আল্ল­াহ দুনিয়াটা বানিয়ে
ফেললো দুই দিনে আর আপনি একটা
প্যান্ট বানাতে এক মাস সময় চাচ্ছেন?
: তাড়াহুড়ার কাজ ভালো হয় না। দেখছেন
না দুনিয়াটার অবস্থা।

হাসপাতালের বেডে আহত এক ট্রাক-ড্রাইভারের জবানবন্দি : ৮০ মাইল বেগে ট্রাক চালাচ্ছিলাম। দেখলাম একটা প্রাইভেট কার এগিয়ে আসছে। তাকে সাইড দিলাম। তারপর দেখি একটা ট্রাক। তাকেও সাইড দিলাম। শেষে দেখি একটা ব্রিজ এগিয়ে আসছে। সেটাকেও সাইড দিলাম। তারপর আর মনে নেই।

ট্রেন ফেল করে স্টেশনে বসে আছে স্বামী-স্ত্রী।
স্বামী: আসার সময় তুমি যদি সাজগোজে এত দেরি না করতে, তাহলে এ ট্রেনটা মিস করতে হতো না।
স্ত্রী:   তুমিও যদি এ ট্রেনটা ধরবার জন্য এত তাড়াহুড়া না করে আসতে, তাহলে পরের ট্রেনের জন্য এতক্ষণ বসে থাকতে হতো না।

ইন্টারভিউ বোর্ডে এক যুবককে প্রশ্ন করা হলো, বলো তো, ‘ডাক্তার আসিবার পূর্বে রোগী মারা গেলো’এর ইংরেজি কী হবে?
:               এটার ইংরেজি পারি না, স্যার। আরবিটা পারি।
:               আরবিটা পারো! ঠিক আছে বলো।
:               ইন্নাল্লািহে ওয়া ইন্না ইলাইহে রাজেউন।

স্বামী: দেখো, তোমার ছেলে কীভাবে কাঁদছে। সকাল থেকে বায়না ধরেছে গাধার পিঠে চড়ে ঘুরবে। গাধা আমি কোথায় পাবো?
স্ত্রী: গাধার দরকার নেই। তোমার পিঠে চড়িয়ে ঘোরাও, দেখবে কান্না থেমে গেছে।

মাছ ধরতে বসেছে এক মাছ-শিকারি।
পাশ দিয়ে যেতে যেতে একজন জিজ্ঞেস করলো, কী ভাই, কয়টা মাছ ধরলেন?
মাছ-শিকারি বললো, পরেরটা ধরলে একটা হবে।

কী ভাই, আপনি নাকি সব জিনিস দুইটা দেখেন?
তাহলে তো ভালোই হলো, একটা বউয়ের জায়গায় দুইটা দেখবেন।
:     আপনি ঠিকই শুনেছেন। এই যে এখন আপনার দুই  পায়ের জায়গায় চার পা দেখছি।

:     কী নিয়ে রাস্তায় ঝগড়া করছিস তোরা?
:     একটা কুকুরছানা নিয়ে, স্যার। আমরা  স্থির করেছি, যে সবচেয়ে মজাদার মিথ্যা বলতে  পারবে, কুকুরছানাটা তারই হবে।
:     বলিস কী! তোদের মতো বয়সে মিথ্যা কাকে বলে  তা আমরা জানতামই না।
:     তাহলে কুকুরছানাটা স্যার আপনারই।

ছেলে অঙ্ক পরীক্ষার নম্বর জেনে বাড়ি এসেছে স্কুল থেকে।
মা জিজ্ঞেস করলেন, কত পেয়েছিস?
: মাত্র একের জন্য এক শ পাইনি।
: তাই নাকি, নিরানব্বই পেয়েছিস!
: না দুটো শূন্য পেয়েছি।

ফাইভ স্টার হোটেলে খেয়ে এক ভদ্রলোক বেয়ারাকে পাঁচ টাকা বকশিশ দিলেন।
: স্যার, এই হোটেলে খেয়ে পাঁচ টাকা বকশিশ
দেওয়া মানে আমাকে অপমান করা।
: তাহলে কত দিতে হবে?
: আর পাঁচ টাকা দিলেই হবে।
: দুঃখিত, তোমাকে দুবার অপমান করার কথা
আমি ভাবতেই পারছি না।

মন্তব্য