কৌতুক

: কী নিয়ে রাস্তায় ঝগড়া করছিস তোরা?

: একটা কুকুরছানা নিয়ে, স্যার। আমরা স্থির করেছি, যে সবচেয়ে মজাদার মিথ্যা বলতে পারবে, কুকুরছানাটা তারই হবে।

: বলিস কী! তোদের বয়সে মিথ্যা কাকে বলে তা আমরা জানতামই না।

: তাহলে কুকুরছানাটা স্যার আপনারই।

 

ছেলে অঙ্ক পরীক্ষার নম্বর জেনে বাড়ি এসেছে স্কুল থেকে।

মা জিজ্ঞেস করলেন, কত পেয়েছিস?

: মাত্র একের জন্য এক শ পাইনি।

: তাই নাকি, নিরানব্বই পেয়েছিস!

: না দুটো শূন্য পেয়েছি।

হোটেলে খেয়ে এক ভদ্রলোক বেয়ারাকে পাঁচ টাকা বকশিশ দিলেন।

: স্যার, পাঁচ টাকা বকশিশ দেওয়া মানে আমাকে অপমান করা।

: তাহলে কত দিতে হবে?

: আর পাঁচ টাকা দিলেই হবে।

: দুঃখিত, তোমাকে দুবার অপমান করার কথা

আমি ভাবতেই পারছি না।

 

এক ঢাকাইয়া তার সাহেবের সঙ্গে রেস খেলা দেখতে গেছে। ঢাকাইয়া তাগড়া দেখে এক ঘোড়ার ওপর বাজি ধরলো। রেস শুরু হলে দেখা গেলো সে ঘোড়াটা ছুটছে সবার পেছনে।

: কী মিয়া, কেমন ঘোড়ায় বাজি ধরলে, ওটা যে সবার পিছনে পড়ে গেলো।

: সাব, ঘোড়া তো না যেন বাঘের বাচ্চা, বেবাকগুলিরে খেদাইয়া লইয়া যাইবার লাগছে।

দুই বন্ধু গল্প করছে।

: কিরে, তোর প্রেমের খবর কী?

: ভালোই। ফিফটি পারসেন্ট এগিয়েছে।

: মানে?

: আমি তো পুরোপুরিই এগিয়েছি কিন্তু ওর দিক থেকে

এখনো কোনো সাড়া পাইনি।

 

ব্যাংক ডাকাতি করে ডাকাত দল চলে যাচ্ছে।

এক ডাকাত বললো, যাওয়ার আগে টাকাটা একবার গুনে নিলে হতো না, ওস্তাদ!

সরদার বললো, গোনার দরকার নেই। কাল পত্রিকা দেখলেই হবে।

ফুটপাথের ছোটখাটো একটা ভিড়ের মাঝ থেকে আওয়াজ ভেসে আসছে দশ টাকায় সারা জীবন বসে খান।

কৌতূহলী একজন ভিড়ের মাঝে উঁকি দিয়ে দেখলো—এক বৃদ্ধ কাঠের পিঁড়ি বিক্রি করছে। প্রতিটার দাম দশ টাকা।

 

অমন স্ত্রী নিয়ে আর আমি ঘর করতে পারছি না, হুজুর।

:কেন?

:হাতের কাছে যা পায় তাই ছুড়ে মারে।

:কবে থেকে তার এই বাতিক দেখা দিয়েছে?

:বিয়ের পর-পরই।

:তাহলে আপনি দশ বছর পরে ডিভোর্স চাচ্ছেন

কেন?

:আগে হাতের ঠিক ছিল না। একটাও লাগতো

না। দশ বছরে হাত পেকেছে। এখন একটাও ফসকায় না।

মন্তব্য