কৌতুক

: আমি কথা বলার সময় হাত দুটো নিয়ে বড়
বিব্রতকর অবস্থায় পড়ি… কোথায় রাখি কী করি…
: কেন সে-সময় মুখটা চেপে ধরলেই পার।

ছাত্র :স্যার, যে কাজ আমি করিনি সেটার জন্য কী কেউ আমাকে শাস্তি দিতে পারে?
শিক্ষক :না, তা কেন হবে? কোনো কাজ তুমি না করলে তার শাস্তি তুমি কেন পাবে?
ছাত্র :আমিও তাই বলি। অথচ বিল্টু বলছিল আমি হোমওয়ার্ক করিনি বলে আপনি না কি আমাকে শাস্তি দেবেন!

শিক্ষক :বাবুল, তুমি বলছো যে শফিক তোমাকে মেরেছে। কিন্তু আমি তো ওকে খুব শান্ত বলেই জানি। ও কখনো কাউকে মেরেছে এমনটাও শুনিনি।
বাবলু :আমিও তো ওকে শান্ত বলেই জানতাম। আর তাই ক্লাসের অন্য কাউকে চিমটি না কেটে আমি শুধু ওকেই একটু চিমটি কেটেছিলাম। অথচ ও কি না শান্ত ছেলে হয়েও আমাকে পাল্টা একটা ঘুষি মারল!

:আমার জন্মদিনে তুমি আমাকে যে মাউথ অর্গানটা দিয়েছিলে সেটাই জন্মদিনে আমার সেরা উপহার।
:তাই নাকি? কেন?
:কারণ ওটা আমি যখনই বাজাতে শুরু করি তখনই মা আমার বাজনা থেকে রেহাই পেতে দু টাকা করে দেন। -

রোগী :ডাক্তার সাহেব আমি কতদিনে এই দূর্ঘটনার ধাক্কা কাটিয়ে উঠতে পারব বলে মনে হয়?
ডাক্তার :শারিরীক যে আঘাত সেটা হয়তো সপ্তাহ খানেকের মধ্যেই কাটিয়ে উঠতে পারবেন। তবে আর্থিক ধাক্কা কতদিনে সামলে নিতে পারবেন সেটা আমি নিশ্চিত করে বলতে পারছি না!

:বাবা আমি বিয়ে করতে চাই।
:না, বাবা। এখন বিয়ে করো না। যেদিন তোমার বুদ্ধি আরেকটু বাড়বে সেদিন আমার সাথে এ নিয়ে কথা বলো।
:কিন্তু বুদ্ধি যে বেড়েছে সেটা বুঝব কী করে?
:যেদিন দেখবে তোমার আর বিয়ে করতে ইচ্ছে করছে না সেদিনই বুঝবে যে এবার তোমার কিছুটা বুদ্ধি হয়েছে!

প্রথম বন্ধু :আচ্ছা তুই কখনও ডিপথেরিয়া নিয়ে ভুগেছিস।
দ্বিতীয় বন্ধু :হ্যাঁ, একবার ডিপথেরিয়া খুব ভুগিয়েছিল।
প্রথম বন্ধু :কবে হয়েছিল সেটা?
দ্বিতীয় বন্ধু :সেটা হয়েছিল ক্লাস সিক্সে। স্যার আমাকে ডিপথেরিয়া বানান জিজ্ঞাসা করেছিলেন। কিন্তু আমি বলতে পারিনি বলে তিন ঘা বেতের বাড়ি খেয়ে দারুণ ভোগান্তিতে পড়েছিলাম।

সামনে নির্বাচন। প্রার্থীরা তাই যথাসাধ্য ভোটারদের বাড়ি বাড়ি যেয়ে তাদের ভোট চাইছেন। এমনই একদিন এক প্রার্থীর সঙ্গে রাস্তায় দেখা হয়ে গেল এলাকার এক ভোটারের
প্রার্থী :আপনার ভোটটা পাচ্ছি তো ভাই?
ভোটার :বোধহয় না। কারণ আমি গতকালই আরেক প্রার্থীকে ভোট দেব বলে কথা দিয়ে ফেলেছি।

প্রার্থী :আরে ভাই কথা দিলেই তাকে ভোট দিতে হবে এমন কোনো কথা আছে না কি?
ভোটার :তাহলে আপনাকেও আমি কথা দিলাম যে, ভোটটা আমি আপনাকেই দেব!

প্রেমিকা :তুমি কি আমায় ভালোবাস?
প্রেমিক :বিশ্বাস না হলে পরীক্ষা করো?
প্রেমিকা :ধরো তোমার শার্টের পকেটে একশ টাকা আছে, তা থেকে আমি পঞ্চাশ টাকা চাইলে তুমি তা দিতে পারবে?
পকেটের টাকায় প্রেমিকার চোখ পড়েছে দেখে, বিব্রত প্রেমিক নিজেকে সামলে নিয়ে বলল, কেন পারব না, একশবার পারব। তবে তুমি নিশ্চয়ই চাও যেন আমি তোমার কাছে ভালোবাসার পরীক্ষায় ভালোভাবে পাস করি। তাই বলছিলাম কি, পরীক্ষা আমি অবশ্যই দেবো। তবে ভালোভাবে যেন প্রস্তুতি নিতে পারি তাই পরীক্ষার তারিখটা একটু পিছিয়ে দিলে ভালো হয়।

কবি :আমার কবিতা কি কখনোই আপনার পত্রিকায় প্রকাশিত হবে না?
সম্পাদক :সেটা আমি কী করে বলব? আমি তো আর চিরজীবন বেঁচে থাকব না!

এক আন্তর্জাতিক ফুটবল খেলোয়াড় এক পার্টিতে গিয়ে তার বন্ধুর সঙ্গে কথাবার্তা বলছেন
খেলোয়াড় :ভাবছি, একটা আত্মজীবনী লিখব।
বন্ধু :বাহ্, ভালো তো! কবে এটা প্রকাশ করবে তুমি?
খেলোয়াড় :আমি আমার মৃত্যুর আগে এটা প্রকাশ করতে চাই না।
বন্ধু :তা হলে অনেক দেরি হয়ে যেতে পারে। তোমার ভক্তরা তো এটা পড়তে চাইবে।

খেলোয়াড় :কিন্তু আমার সিদ্ধান্তে আমি অনড়।
বন্ধু :ঠিক আছে, সমস্যা নেই। আমি তো নিজেও তোমার ভক্ত। তাই এই বইটি তাড়াতাড়ি প্রকাশে আমি তোমাকে সাহায্য করব। তুমি কোনো চিন্তা করো না।

মন্তব্য