পৃথিবী নয়, মানুষের জন্ম অন্য কোনো গ্রহে

diffarent planet

পৃথিবী নয়, মানুষের জন্ম মহাশূন্যের অন্য কোনো গ্রহে। শূন্য থেকে আসা একটি বেলুন পরীক্ষা করে বিজ্ঞানীদের অধিকাংশই এ সিদ্ধান্তে উপনীত হয়েছেন। এ বেলুনটির গায়ে মহাশূন্যের অনেক আনুবীক্ষণিক জীবের উপস্থিতি পাওয়া গেছে। আর এ ঘটনা মানুষের প্রকৃত উৎপত্তি নিয়ে বিতর্কের পালে নতুন হাওয়া দিয়েছে।

বিজ্ঞানীরা বলছেন, মঙ্গলেই প্রথম প্রাণের উৎপত্তি হয়, যেহেতু মঙ্গলে খনিজের সন্ধান পাওয়া গেছে।

মার্কিন পরিবেশবিদ ড. এলিস সিলভারও তার লেখা বই ‘হিউম্যানস আর নট ফ্রম আর্থ : অ্যা সায়েন্টিফিক ইভালিউশন অব দ্য এভিডেন্স’ এ দাবি করেছেন, মানুষ আসলে এ পৃথিবীর আদিবাসী নয়। তারা অন্য কোথাও থেকে এখানে এসেছে। তার দাবি, মানুষ একা একা পৃথিবীর অন্য প্রাণীদের সঙ্গে বেড়ে ওঠেনি, বরং ১০ হাজার বছর আগে পৃথিবীর বাইরের কোনো প্রাণীর মাধ্যমে মানুষের পৃথিবীতে আগমন ঘটে।

মানুষ এবং অন্য প্রাণীদের পার্থক্যের তুলনা করে নিজের অবস্থানের পক্ষে যুক্তি তুলে ধরেছেন তিনি। ইয়াহু নিউজের সঙ্গে এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেছেন, একটি প্রজাতি হিসেবে পৃথিবী আমাদের চাহিদা পূরণ করছে ঠিকই কিন্তু যারা মানুষকে পৃথিবীতে নিয়ে আসছে তাদের মতো পারছে না।

এলিসের মতে, মানুষ যে ভিন্ন কোনো গ্রহ থেকেই আসছে তার প্রমাণ হচ্ছে অধিকাংশ মানুষই তার পিঠ ও কোমর ব্যথায় ভোগে। এ থেকে এটাই প্রমাণ করছে, কম মাধ্যাকর্ষণ শক্তিবিশিষ্ট কোনো গ্রহেই মানুষের জন্ম। তাই পৃথিবীর মাধ্যাকর্ষণের সঙ্গে মানিয়ে নিতে পারে না তারা।

এছাড়া মানুষ যেভাবে সন্তান জন্ম দেয় সেটাও পৃথিবীর অন্য কোনো প্রাণীর মধ্যে নেই। জন্মের সময় মানব শিশুর মাথা অনেক বড় থাকে, যে কারণে সন্তান জন্ম দিতে মায়েদের অনেক কষ্ট হয়। পৃথিবীতে বসবাসকারী অন্য কোনো প্রাণীই এভাবে সন্তান জন্ম দিতে পারে না। আবার মানুষের শরীরে এমন ২২৩ রকমের জিন পাওয়া যায়, যা পাওয়া যায় না পৃথিবীর অন্য কোনো প্রজাতির শরীরে। এলিস তার বইতে বলেন, পৃথিবীতে এমন কোনো মানুষ নেই যে, শতভাগ ফিট। তার শরীরের ভেতরে বা বাইরে কোনো ধরনের সমস্যা নেই। এমন মানুষ পাওয়া গেলে আমি বিস্মিতই হব এবং এটাও প্রমাণ করে, মানুষ আসলে এ পৃথিবীর প্রাণী নয়। ডেইলি মেইল। -তথ্য সূত্র : যুগান্তর

মন্তব্য