এ প্লাস একাডেমীর ফুলটাইম স্কুল শুরু

 

আইএলটিএস ছাড়াই ইন্টারন্যাশনাল স্টুডেন্টদের ভর্তির সুযোগ

পাবলিক স্কুলের প্যারেন্ট-টিচার মিটিং এ অভিভাবকদের নিয়মিত উপস্থি থাকার উপর গুরুত্ব আরোপ

বাচ্চাদেরকে ‘স্পেশাল নিড’এ দেওয়ার আগে বিশেষ সতর্কতা অবলম্বনেরও আহ্বান এ প্লাস একাডেমীর

(বাঁ থেকে) এ + একাডেমীর অধ্যক্ষ ড. এ সিনহা, নতুন ভবনে একাডেমীর কার্যালয়ের উদ্বোধন, একাডেমীর কর্ণধার ড. বাদশা আলম

Badsha Alam

ড. বাদশা আলম

ড. বাদশা আলম এ প্লাস একাডেমী অব এ্যাডভান্সমেন্ট এর কর্ণধার। দেশে ইঞ্জিনিয়ারিং পেশার সঙ্গে জড়িত ছিলেন। কানাডায় আসেন ২০০৫ সালে। এসেই ক্রিসেন্ট টাউনে নিজ এপার্টমেন্টে খোলেন একটি টিউটরিয়াল হোম। সঙ্গে নেন আরো কয়েকজন শিক্ষককে।

গত এক যুগেরও বেশী সময় ধরে অব্যাহতভাবে শিক্ষাদান করে আসছে ড. বাদশা আলম এর এই এ প্লাস একাডেমী। টরন্টোর বাংলাদেশী কমিউনিটিতে এখন এটি একটি স্বনামধণ্য প্রতিষ্ঠান। স্থানসংকুলান হচ্ছিলনা বলে গত বছর সেপ্টেম্বর মাসে এই প্রতিষ্ঠানটির প্রধান ক্যাম্পাস ড্যানফোর্থ এলাকা থেকে সরিয়ে এ্যাগলিংটন ও কেনেডি এলাকায় আরো বড় পরিসরের একটি ভবনে স্থানান্তরিত করা হয়।

প্রতিষ্ঠানটির অব্যাহত অগ্রযাত্রা ও সাফল্যের বিষয়ে সম্প্রতি আমাদের প্রতিনিধির সঙ্গে কথা হয় ড. বাদশা আলমের। আসুন শুনা যাক তার নিজের মুখ থেকেই তার এই অব্যাহত অগ্রযাত্রার ইতিহাস। ছাত্র-ছাত্রীদের সাফল্য লাভের বিষয়েও তিনি কিছু মূল্যবান পরামর্শ দিয়েছেন যা উঠে এসেছে এই সাক্ষাৎকারে।

 

টিউটারিয়ালের কাজটি আমি প্রথমে শুরু করি বাসা থেকেই। সেটা ২০০৫ সালের ঘটনা। প্রথমে ছিল সেটা হোম টিউটরিয়াল। আমি ঐ সময়টাতেই আসি কানাডায়। কানাডায় আসার আগে এখানকার কিছু বাঙ্গালীর সঙ্গে আমার যোগাযোগ ছিল। এদের কেউ কেউ আমার ছাত্র ছিল দেশে। এদের সাথে আমার একটি নেটওয়ার্কও তৈরী হয়। কানাডায় আসার পর প্রথমদিকে সেই নেটওয়ার্ক আরো বৃদ্ধি পায় এদের মাধ্যমে। আর এদের মাধ্যমেই প্রাথমিকভাবে শুরু হয় আমার টিউটরিয়াল কার্যক্রম।

পরে ড্যানফোর্থের বিশিষ্ট ব্যবসায়ী মোহাম্মদ সোলায়মান আমাকে তার অফিসে একটা রুমের ব্যবস্থা করে দেন ছাত্রদের পড়ানোর জন্য। বলতে গেলে সেখান থেকেই শুরু হয় আমার প্রতিষ্ঠানিক টিউটরিয়াল কার্যক্রম। এর পর ক্রমশ বৃদ্ধি পেতে থাকে ছাত্রছাত্রীর সংখ্যা। এই সময় আমাকে শিক্ষকের সংখ্যাও বৃদ্ধি করতে হয়। ঐ শিক্ষকদের নিয়ে আমি একটি টিম তৈরী করে নেই। পরে ছাত্রছাত্রীর সংখ্যা আরো বৃদ্ধি পাওয়াতে আমাকে আরো বড় পরিসরের স্থান খুঁজে নিতে হয়। এখন আমাদের এলিমেন্টারী স্কুল, সেকেন্ডারী স্কুল এবং কিছু কিছু কলেজ সার্টিফিকেশন কোর্সও আছে।

A+Academy

একাডেমীর অধ্যক্ষ ড. এ সিনহা

গত বছর সেপ্টেম্বর মাস থেকে আমরা ফুলটাইম স্কুলও শুরু করেছি। গ্রেড ওয়ান থেকে গ্রেড এইট পর্যন্ত। সেকেন্ডারী স্কুল আগে থেকেই ছিল। আমাদের এখানে যারা ফুলটাইম স্টুডেন্ট তাদেরকে আর পাবলিক স্কুলে যেতে হয় না। আমাদের এখান থেকে পড়াশুনা শেষ করে তারা সরাসরি কলেজ বা ইউনিভার্সিটিতে চলে যেতে পারে। কারণ আমরা মিনিস্ট্রি অব এডুকেশনের কারিকুলাম অনুযায়ী ছাত্রছাত্রীদেরকে পড়াই যা পাবলিক স্কুলগুলোতেও পড়ানো হয়।

আমাদের এই সেকেন্ডারী স্কুলে এখন ফুলটাইম ছাত্রছাত্রী আছে টেনপ্লাস। আর সবমিলিয়ে (পার্টটাইমসহ) আছে একশত বিশ জনেরও বেশী। আগে ৭০ থেকে ৮০% ছাত্রছাত্রীই ছিল বাংলাদেশী। এখন নতুন এই ঠিকানায় এসে আমরা বাংলাদেশীদের পাশাপাশি অন্যান্য কমিউনিটির ছাত্রছাত্রীদের কাছ থেকেও রেসপন্স পাচ্ছি। অন্যান্য কমিউনিটি বলতে মেইনস্ট্রিমের কয়েকজন আছে। এর পাশাপাশি আছে চাইনিজ, ইথিওপিয়ান, সোমালিয়ান, ইন্ডিয়ান, পাকিস্তানী এবং মধ্যপ্রাচীয় আরো কয়েকটি দেশের ছাত্রছাত্রী।

ফুলটাইম স্কুল শুরুর পর এখন আমাদের শিক্ষকের সংখ্যা সার্বক্ষণিক ও খন্ডকালীন মিলিয়ে ৫৩ জন আছেন। এর পাশাপাশি আমাদের কিছু হোম টিউটরিং এবং অনলাইন টিউটরিং এর ব্যবস্থাও আছে। হোম টিউটরিং হলো আমাদের শিক্ষকগণ বাসায় গিয়েও ছাত্রছাত্রীদের পড়ান। তাছাড়া পিক-আপ এন্ড ড্রপ-অফ এর সুবিধাও আছে আমাদের এখানে। অর্থাৎ যে সকল ছাত্রছাত্রী নিজেরা আসতে পারে না বা তাদের অভিভাবকগণ ব্যস্ততার কারণে ছাত্রছাত্রীদের আনা নেওয়া করতে পারেন না সে ক্ষেত্রে আমরা এই পিক-আপ এবং ড্রপ-অফ এর ব্যবস্থা করে থাকি।

আমাদের এখানে কোন নতুন শিক্ষক নিয়োগ করতে হলে  তার নাম মিনিষ্ট্রি অব এডুকেশনে রিজিষ্ট্রি করতে হয়। মিনিষ্ট্রি থেকেও কর্মকর্তারা ইন্সপেকশনে আসেন দেখার জন্য যে আমরা কি পড়াচ্ছি, কেন পড়াচ্ছি, স্ট্র্যটেজি কি, গোল কি ইত্যাদি দেখার জন্য। আমাদের স্পেশাল টিউটরিং বলে একটি বিষয় আছে। এর মধ্যে আছে TOPS, IB, MAST, AP, EQAO, GIFTED PROGRAMS ইত্যাদি। এই সমস্ত প্রগ্রামে চান্স পেতে হলে বিশেষ প্রস্তুতি নিতে হয়। বাংলাদেশে যেমন নামীদামী স্কুলে ভর্তি হতে হলে ছাত্রছাত্রীদেরকে বিশেষ প্রস্তুতি নিয়ে পরীক্ষায় অবতীর্ণ হতে হয় সেরকম।

A +Academy - Md Kayes

নতুন ভবনে একাডেমীর কার্যালয়ের উদ্বোধন

কমিউনিটির লোকদের সহযোগিতায় বর্তমানে আমাদের ৪টি ক্যাম্পাস রয়েছে। এগুলোর অবস্থান স্কারবরো, মিসিসাগা, টরন্টো ডাউনটাউনের রিজেন্ট পার্ক এবং ব্রাম্পটনে। গত নভেম্বর মাস থেকে আমি আমার সহযোগিদের নিয়ে ড্যানফোর্থের ক্যাম্পাস থেকে মুভ করেছি কয়েকগুন বড় এক পরিসরে। এটি কেনেডী ও এগলিংটনের মোড়ে অবস্থিত। এখানে ক্লাশরুম রয়েছে ৮টি এবং একটি সেমিনার রুম রয়েছে যেখানে একসঙ্গে ২০০ লোকের স্থান সংকুলান হয়। এখানে আমরা আমাদের স্কুলের নিজস্ব অনুষ্ঠান করে থাকি। কমিউনিটির লোকদের বিভিন্ন অনুষ্ঠানের জন্যও ভাড়া দিয়ে থাকি।

আমাদের এই স্কুলে ইন্টারন্যাশনাল স্টুডেন্টদের ভর্তির সুযোগও আছে। ১ থেকে ১২ গ্রেড পর্যন্ত ইন্টারন্যাশনাল স্টুডেন্টদের জন্য এই সুযোগ। মাইনর স্টুডেন্টদের সঙ্গে তাদের অভিবাকরাও আসতে পারেন কানাডায়। অথবা স্থানীয় কাউকেও তাদের অভিভাবক হিসাবে মনোনিত করা যায়। বাইরে থেকে কেউ ভর্তির আবেদন করলে আমরা তাদের কাগজপত্র দেখে সন্তুষ্ট হলে ভর্তির অফার দেই। এরপরের ধাপ হলো ইমিগ্রেশন মন্ত্রণালয়ের। তারা আবেদনকারীর অন্যান্য বিষয় পরীক্ষা-নীরিক্ষা করে ভিসা প্রদান করে থাকেন।

আর যে সকল ইন্টারন্যাশনাল স্টুডেন্ট এখানকার কলেজ ইউনিভারর্সিটিতে ভর্তি হয়ে আসতে চান তাদের ব্যাপারেও আমরা সাহায্য করতে পারি। এ বিষয়ে আমরা এখানকার কয়েকটি কলেজ ও ইউনিভার্সিটির এজেন্ট হিসাবে কাজ করছি। সেন্টিনিয়াল কলেজে আমাদের মাধ্যমে কেউ ভর্তি হতে চাইলে তার আইএলটিএস লাগবে না। এখানে অবশ্য কয়েকটি কলেজ ও ইউনিভার্সিটি রয়েছে যারা আইএলটিএস ছাড়াই ভর্তি করায়। তবে শর্ত থাকে যে ভর্তি হওয়ার পর তাকে ইংলিশ এর জন্য আলাদা কোর্স নিতে হবে।

আমাদের এখানে যে সকল স্টুডেন্ট এসেছে তাদেরকে আমার আমাদের সাধ্যমত চেষ্টা করেছি গাইড করার জন্য। তাদের সাকসেস রেট ৯০ থেকে ৯৫ ভাগ। ফলে অভিভাবকগণও খুব সন্তুষ্ট আমাদের স্কুলের উপর। যারা আমাদের স্টুডেন্ট নয় তাদেরকেও আমরা কাউন্সিলিং সেবা দিয়ে থাকি।

A+Academy 2

একাডেমীর রিসেপশন ডেস্ক

প্রবাসে বাংলাদেশী স্টুডেন্টদের বাবা-মা’র কাছে আমার একটি বার্তা বা পরামর্শ হলো, আপনারা ছেলে-মেয়েদেরকে সময় দিন। আমি জানি, এখানে মানুষের ব্যস্ততা খুব বেশী। বিশেষত প্রথম জেনারেশনের বাংলাদেশীদেরকে ভিন্ন একটি পরিবেশে এসে খুবই ব্যস্ত থাকতে হয় জীবন ও জীবিকার তাগিদে। কিন্তু এরপরও একটা সময় বের করতে হবে বাচ্চাদেরকে গাইড করার জন্য বা তাদের উপর নজর রাখার জন্য। বাচ্চারা উপযুক্ত নজরদারীতে না থাকলে বা গাইড না পেলে নিজেরা নিজেদের মত করে একটি জগৎ তৈরী করে নেয়। নানারকম বদঅভ্যাসের প্রতি এডিক্টেড হয়ে পড়ে যা তাদের লেখাপড়া ও সুস্থ্য জীবনের প্রতি হুমকী হয়ে দাড়ায়।

প্রবাসে আমরা অভিভাবকরা অনেকেই প্যারেন্ট-টিচার মিটিং এ যাই না। আর গেলেও কম কথা বলি বা দায়সারা একটা উপস্থিতি দিয়েই চলে আসি। স্কুলে কি হচ্ছে না হচ্ছে তার খবর রাখি না ভাল করে। আমার অবজার্ভেশনে আমি দেখেছি অন্যান্য কমিউনিটির ছেলে-মেয়েদের অভিভাবকগণ নিয়মিত প্যারেন্ট-টিচার মিটিং এ উপস্থিত থাকেন। তারা বাচ্চাদের সম্পর্কে খুঁটিয়ে খুঁটিয়ে সবকিছু জিজ্ঞেস করেন। স্কুলের বিভিন্ন ইভেন্ট সম্পর্কে জানতে চান। কিন্তু বাংলাদেশী অভিভাবকদের অনেকেই পিছিয়ে আছেন এই বিষয়ে। স্কুলে বাচ্চাদের পারফর্মেন্স কি তা আমাদের অনেকেই ভাল করে অবহিত হচ্ছি না। অথচ এটি একটি জরুরী বিষয়।

আমরা লক্ষ্য করেছি, আমাদের স্কুলে যখন অভিভাবকগণ আসেন ছেলে-মেয়েদের নামিয়ে দিতে বা যখন স্কুল থেকে নিতে আসেন তখন কিন্তু তারা আমাদের স্কুলের শিক্ষকদের সঙ্গে খোলামেলাভাবে কথা বলেন। ছেলে মেয়েদের সস্পর্কে ভাল করে সব জানতে চান। এমনকি বাসা থেকেও টেলিফোন করে অনেক বিষয়ে জানতে চান। অথচ এই অভিভাবকদেরই কেউ কেউ পাবলিক স্কুলে গেলে ছেলে-মেয়েদের শিক্ষকদের সঙ্গে কথা বলতে চান না। পাবলিক স্কুলের শিক্ষক আর আমাদের এই স্কুলের শিক্ষকদের মধ্যে তো কোন পার্থক্য নেই। কিন্তু পাবলিক স্কুলের শিক্ষকদের কাছে গেলে অভিভাবকদের কেউ কেউ সংকোচবোধ করেন। একটা ভীতি কাজ করে তাদের মধ্যে। ল্যাংগুয়েজ একটা সমস্যা হতে পারে কারো কারো ক্ষেত্রে। কিন্তু সবচেয়ে বড় যে সমস্যা তা হলো মটিভেশন। কথা বলতে হবে। নিজেদের স্বার্থে এবং ছেলে-মেয়েদের স্বার্থেই তা করতে হবে। আমাদের এখানে কোন স্টুডেন্ট ৮০% মার্ক পেলেও অভিভাবকগণ পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে কারণটি জানতে চান। এমনকি পরীক্ষার খাতাও দেখতে চান। কিন্তু এই কাজটি পাবলিক স্কুলে গিয়ে কজন অভিভাবক করেন?

আরেকটি বিষয়ের উপর আমি বিশেষ গুরুত্ব দিতে চাচ্ছি। সেটা হলো, আমরা লক্ষ্য করেছি, কোন কোন অভিভাবক না বুঝেই ভাল ভাল বাচ্চাদেরকেও ‘স্পেশাল নিড’এ দিয়ে তাদের ভবিষ্যত নষ্ট করে দিচ্ছেন। স্পেশাল নিড এ নিয়ে ছেলে মেয়েদেরকে বুঝানো হচ্ছে যে তারা আলাদা, তারা স্বাভাবিক নয়। তারা ডিজএবল। অন্যদের মত তারা সবকিছু করতে পারবে না।

আমার অবজারভেশনে আমি দেখেছি, ছেলে বা মেয়ে একটু লাজুক স্বভাবের হলেও কোন কোন অভিভাবক তাদেরকে স্পেশাল নিড এ নিয়ে যাচ্ছেন। অথচ এটি খুব সহজেই কাটিয়ে উঠা যায়। ছেলে মেয়েদের প্রতি একটু বাড়তি নজর দিলেই হয়। এ ক্ষেত্রে চিকিৎসকের পরামর্শ নেয়া যেতে পারে। অথবা আমাদের সাথে যোগাযোগ করলে আমরাও এ বিষয়ে কাউন্সিলিং করতে পারি। তবে যে সকল ছাত্র-ছাত্রীর স্পেশাল নিড সত্যিকার অর্থেই দরকার সে ক্ষেত্রে তো তা করতেই হবে।

আমি আমার কমিউনিটির লোকদের কাছে খুবই কৃতজ্ঞ এই কারণে যে, তারা শুরু থেকেই আমাকে যথেষ্ট সহযোগিতা করে আসছেন। কমিউনিটির মিডিয়াগুলোও এ ব্যাপারে অনেক সহযোগিতা করেছে।

আমাদের ভবিষ্যত পরিকল্পনা হলো, ফুলটাইম স্কুলটিকে আরেকটু আপগ্রেড করা। আমরা চেষ্টা করে যাচ্ছি যাতে ২০১৯ সালের মধ্যে একটি রেগুলার ক্যাম্পাসের মত একটি স্থানে স্কুলটিকে স্থানান্তরিত করতে পারি যেখানে খেলার মাঠ, সুইমিং পুল ইত্যাদিও থাকবে। এটি আমার স্বপ্ন। জানিনা কতটুকু সফল হবো। তবে কমিউনিটির লোকদের কাছ থেকে আমরা এ পর্যন্ত যতটুকু সহযোগিতা পেয়ে এসেছি তা যদি আগামীতেও অব্যাহত থাকে তবে ইনশাল্লাহ আমরা আমাদের স্বপ্ন বাস্তবায়িত করতে পাবো।

মন্তব্য