পঁচিশে মার্চের গণহত্যার স্বীকৃতি অপরিহার্য

 মোহাম্মদ আলী আজম খান

Genocide in Banladesh

সরকার ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চকে গণহত্যা দিবস হিসেবে পালনের ঘোষণা দেয়ার চিন্তাভাবনা করছে বলে স্থানীয় গণমাধ্যম সূত্রে জানা যায়। আরও জানা যায়, ২১ ফেব্রুয়ারি যেভাবে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে মর্যাদা লাভ করেছে, ঠিক সেই প্রক্রিয়ায় ২৫ মার্চকে আন্তর্জাতিক গণহত্যা দিবস হিসেবে জাতিসংঘের স্বীকৃতি অর্জনে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে। এ দুই ধরনের সরকারি উদ্যোগ যে দেশের জনগণের অকুণ্ঠ সমর্থন ও প্রশংসা লাভ করবে, তা বলার অপেক্ষা রাখে না।

বর্তমানে পৃথিবীর সব দেশে ২১ ফেব্রুয়ারি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে উদযাপনের ফলে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে শুধু বাংলা ভাষাই নয়, পাশাপাশি বাংলাদেশ এবং বাঙালি জাতিও এক বিশেষ মর্যাদায় ও গৌরবে অভিষিক্ত হয়েছে। অতঃপর ২৫ মার্চ যদি আন্তর্জাতিক গণহত্যা দিবস হিসেবে জাতিসংঘের স্বীকৃতি অর্জন করে, তাহলে রক্তস্নাত ও গৌরবমণ্ডিত বাংলাদেশের স্বাধীনতা অবশ্যই অধিকতর মর্যাদা ও সম্মান নিয়ে পৃথিবীর বুকে প্রতিষ্ঠিত হবে। এই সঙ্গে আগাম বলা যায়, বাংলাদেশের স্বাধীনতার পর থেকেই পাকিস্তান সরকার কর্তৃক আমাদের মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসকে বিকৃত করার সব অপচেষ্টার এবং ১৯৭১ সালে পাকিস্তান সেনাবাহিনীর যুদ্ধাপরাধ ও মানবতাবিরোধী অপরাধকে অস্বীকার করার সব দরজা চিরতরে বন্ধ হয়ে যাবে।

উল্লেখ্য, ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের সময়ই পূর্ব পাকিস্তানে গণহত্যার অভিযোগ ক্র্যাকডাউনের খলনায়ক প্রেসিডেন্ট ইয়াহিয়া খান এবং ক্র্যাকডাউনের স্থপতি গভর্নর টিক্কা খান গণমাধ্যমকে দেয়া তাদের সাক্ষাৎকারে সরাসরি অস্বীকার করেছিলেন। ঢাকায় স্থাপিত আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের রায় মোতাবেক ২০১৫ সালে স্থানীয় দু’জন যুদ্ধাপরাধীর ফাঁসি কার্যকর করার সময় পাকিস্তান এর বিরুদ্ধে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখাতে গিয়ে একাত্তরে পাকিস্তান সেনাবাহিনীর গণহত্যা ও যুদ্ধাপরাধকে অস্বীকার করেছে। সম্প্রতি পাকিস্তানে জনৈক জুনায়েদ আহমদ রচিত ও প্রকাশিত বাংলাদেশের অভ্যুদয়ের প্রেক্ষাপট সংক্রান্ত বইয়ের মিথ্যা ও বানানো তথ্য দিয়ে একাত্তরে গণহত্যাকে অস্বীকার এবং পাকিস্তান সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ মিথ্যা প্রতিপন্ন করার চেষ্টা করা হয়েছে।

তাই অনুমান করা যায়, দেশে ২৫ মার্চ গণহত্যা দিবস পালনের ঘোষণা হলে পাকিস্তান এর বিরুদ্ধে শক্ত অবস্থান নিতে পারে। এমনকি এ গণহত্যা দিবস পালন বন্ধ করার জন্য পাকিস্তান আন্তর্জাতিক আদালতে বাংলাদেশের বিরুদ্ধে পাল্টা বানোয়াট অভিযোগ দায়ের করতে পারে। স্মর্তব্য, ১৯৭৩ সালে বাংলাদেশে ১৯৫ পাকিস্তানি যুদ্ধাপরাধীর বিচারিক কার্যক্রম বন্ধ করার জন্য পাকিস্তান ‘ইন্টারন্যাশনাল কোর্ট অব জাস্টিসে’ (আইসিজে) ধরনা দিয়েছিল।

অবশ্য পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে বিভিন্ন সময়ে সংঘটিত গণহত্যাকে অস্বীকার করার আরও দৃষ্টান্ত রয়েছে, যেমন- ১৯১৫-১৮ সালে আর্মেনিয়ায় সংঘটিত গণহত্যাকে তুরস্ক সরকার অস্বীকার করেছে; রুয়ান্ডায় ১৯৯৪ সালে সংঘটিত গণহত্যাকে রুয়ান্ডা সরকার অস্বীকার করে বলেছে- এটা রুয়ান্ডার টুটসি ও হুটু সম্প্রদায়ের মধ্যে সৃষ্ট দ্বন্দ্ব-কলহে পারস্পরিক হত্যাকাণ্ড, কোনো গণহত্যা নয়; সার্বিয়া সরকার ১৯৯১ সালে বসনিয়া ও হার্জেগোভিনার সেভ্রেনিকা শহরে বিপুলসংখ্যক মানুষের হত্যাযজ্ঞকে ‘গণহত্যা’ বলতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে; এমনকি জার্মানিতে এডলফ হিটলারের শাসনামলে ‘হোলোকাস্ট’ বলে অভিহিত ইহুদি সম্প্রদায়ের গণহত্যাকেও নির্লজ্জভাবে অস্বীকার করা হয়েছে। তাই পাল্টা ব্যবস্থা হিসেবে পৃথিবীর বিভিন্ন ভূখণ্ডে বিভিন্ন সময়ে সংঘটিত গণহত্যার ব্যাপারে জাতিসংঘের স্বীকৃতি অর্জন করা হয়েছে অথবা আদালত কর্তৃক রায় প্রদানের ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। জাতিসংঘ কর্তৃক স্বীকৃতি প্রদানকৃত গণহত্যার মধ্যে আর্মেনিয়া গণহত্যা, রুয়ান্ডা গণহত্যা এবং জার্মানির হোলোকাস্ট নামের গণহত্যা অন্যতম। অন্যদিকে যুগোস্লাভিয়ার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল সেভ্রেনিকা শহরে সংঘটিত গণহত্যাকে ‘গণহত্যা’ বলে রায় প্রদান করেছে। অবশ্য সার্বিয়ার বিরুদ্ধে এ গণহত্যার অভিযোগের ব্যাপারে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে প্রস্তাবও পাস করা হয়েছে।

তাই বাস্তবতার আলোকে ২৫ মার্চে গণহত্যা দিবস পালনের ঘোষণা প্রদানের আগে এ গণহত্যার ব্যাপারে জাতিসংঘের স্বীকৃতি অর্জন অথবা কোনো আন্তর্জাতিক আদালতের রায় গ্রহণ জরুরি কিনা, তা সরকারের বিবেচনার বিষয়। বলাবাহুল্য, জাতিসংঘে হোক কিংবা আন্তর্জাতিক আদালতে হোক, গণহত্যার অভিযোগের পক্ষে উপযুক্ত সাক্ষ্য-প্রমাণাদিসহ জোরালো যুক্তি-তর্ক উপস্থাপনের মাধ্যমে এ অভিযোগ প্রমাণ সাপেক্ষ। উল্লেখ্য, প্রয়োজনীয় সাক্ষ্য-প্রমাণাদির অভাবে সুদানের দারফুরে সংঘটিত গণহত্যা জাতিসংঘ কর্তৃক স্বীকৃত হয়নি।

অত্যন্ত আশার কথা, ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের সময় থেকেই বাংলাদেশ ও বহির্বিশ্বের বিভিন্ন পত্রিকা-জার্নাল-ম্যাগাজিনে প্রকাশিত সংবাদে সচিত্র প্রতিবেদনে, নিবন্ধে ও সাময়িকীতে ২৫ মার্চের ভয়াল রাতের গণহত্যা এবং পরবর্তী সময়ে মুক্তিযুদ্ধের ঘটনাবলি নিয়ে বস্তুনিষ্ঠ ও মর্মস্পর্শী প্রচুর বিবরণ ছাপা হয়েছে। স্বাধীনতার পর মুক্তিযুদ্ধের ওপর অনেক বইপুস্তক রচিত হয়েছে। লেখকদের মধ্যে বাঙালি ছাড়াও পাকিস্তান, ভারত ও অন্যান্য দেশের নাগরিকরাও রয়েছেন। ১৯৮২ সালে তথ্য মন্ত্রণালয়ের ব্যবস্থাপনায় ১৬ খণ্ডে প্রণীত ও প্রকাশিত হয়েছে ‘বাংলাদেশে স্বাধীনতা যুদ্ধ দলিলপত্র’। এছাড়া দেশের বাইরে আমাদের মুক্তিযুদ্ধের ওপর বেশকিছু অনুসন্ধানমূলক ও গবেষণাধর্মী কাজ হয়েছে। এ কাজ সম্পর্কিত প্রতিবেদনগুলো বাংলাদেশে গণহত্যা প্রমাণের ক্ষেত্রে অকাট্য দলিল হিসেবে গ্রহণযোগ্যতার দাবি রাখে। এ ধরনের কয়েকটি প্রতিবেদন উল্লেখ করা হল :

১. হামুদুর রহমান কমিশনের প্রতিবেদন : ১৯৭২ সালে পাকিস্তানের নতুন প্রেসিডেন্ট জুলফিকার আলী ভুট্টোর আমলে গঠিত এ কমিশনের প্রতিবেদনে পূর্ব পাকিস্তানে ২৫ মার্চের রাতসহ নয় মাসব্যাপী যুদ্ধের ভয়াবহ ও হৃদয়ভেদী বিবরণ রয়েছে। প্রতিবেদনের এক অংশে বলা হয়, হাজার হাজার বেসামরিক নাগরিক, বাঙালি বুদ্ধিজীবী, ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ার, অফিসারসহ অন্যান্য পেশাজীবী, শিল্পপতি, ব্যবসায়ী ও সংখ্যালঘু হিন্দুদের নির্বিচারে হত্যা করা হয়। প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্ট, ইস্ট বেঙ্গল রাইফেলসের বাঙালি সৈনিক এবং ইস্ট পাকিস্তান পুলিশকে নিরস্ত্র করার নামে অথবা বিদ্রোহের মিথ্যা-বায়বীয় অভিযোগে নির্বিচারে হত্যা করা হয়। বোধগম্য কারণে রিপোর্টটি পাকিস্তানে কখনও আলোর মুখ দেখেনি। তবে রিপোর্টের কিছু অংশ ২০০০ সালে ভারতের ইন্ডিয়া টুডে ম্যাগাজিনে ছাপা হয়। এরপর একই বছর পাকিস্তানের ডন নিউজপেপারে রিপোর্টটির সম্পূরক অংশ ছাপা হয়।

২. যুক্তরাষ্ট্রে অনুষ্ঠিত সেমিনারের প্রতিবেদন : আমেরিকার নিউজার্সিতে অবস্থিত কিন (Kean) বিশ্ববিদ্যালয়ের মানবাধিকার ইন্সটিটিউট এবং বাংলাদেশ স্টাডি গ্রুপ (BGSG)-এর যৌথ উদ্যোগে ১৮ অক্টোবর ২০০৯ সালে এক আন্তর্জাতিক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়। উপজীব্য বিষয় ছিল, বাংলাদেশে ১৯৭১ সালে যুদ্ধাপরাধ, গণহত্যা ও মানবতাবিরোধী অপরাধ সংঘটন।

৩. জার্মানিতে অনুষ্ঠিত কনফারেন্সের প্রতিবেদন : জার্মানির হেইডেলবার্গ বিশ্ববিদ্যালয়ে ২০১৩ সালের জুলাই ৪-৫ তারিখে এক আন্তর্জাতিক কনফারেন্স অনুষ্ঠিত হয়। উপজীব্য বিষয় ছিল, বাংলাদেশে গণহত্যা এবং সুবিচারের বিষয়াদি।

৪. ১৯৭১ সালের ১৩ জুন তারিখে ‘দ্য সানডে টাইমসে’‘গণহত্যা’ (Genocide) শিরোনামে সাংবাদিক এন্থনি মাসকারেনহাস প্রকাশিত প্রতিবেদন : প্রতিবেদনে উল্লেখযোগ্য অংশের মর্মার্থ হল, এ গণহত্যা ঘটানো হচ্ছে পাক সেনাদের দ্বারা উদ্দেশ্যমূলকভাবে; এ সুপরিকল্পিত হত্যাকাণ্ডের শিকার শুধু হিন্দুরা নয়, বরং হাজার হাজার বাঙালি মুসলমানসহ বিশ্ববিদ্যালয়-কলেজের ছাত্র, শিক্ষক, আওয়ামী লীগ ও বামপন্থী রাজনৈতিক দলগুলোর সদস্য এবং ১ লাখ ৭৬ হাজার বাঙালি সৈনিক ও পুলিশ।

৫. ব্যারিস্টার জিওফ্রে রবার্টসন প্রণীত ‘পাকিস্তান মিলিটারি ক্রাইম’ শিরোনামের রিপোর্ট (২০১৫); এতে ‘অপারেশন সার্চলাইট’কে মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধ উল্লেখ করে বলা হয়, হিন্দু সম্প্রদায়ের ওপর গণহত্যার আক্রমণ চালানো হয়েছে।

এবার ২৫ মার্চ আন্তর্জাতিক গণহত্যা দিবস হিসেবে জাতিসংঘের স্বীকৃতি আদায় প্রসঙ্গ। উল্লেখ্য, ১৯৫২ সালে মাতৃভাষাকে অন্যতম রাষ্ট্রভাষা করার দাবিতে একটি জাতির আন্দোলন এবং শাসকের গুলিতে ওই বছরের ২১ ফেব্রুয়ারি কয়েকজন যুবকের প্রাণদান বিশ্বে একটি নজিরবিহীন ঘটনা। তাই ২১ ফেব্রুয়ারি যেভাবে বিশেষ বিবেচনায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে জাতিসংঘের স্বীকৃতি অর্জন করেছে, সেই প্রক্রিয়ায় ২৫ মার্চ আন্তর্জাতিক গণহতা দিবস হিসেবে জাতিসংঘের স্বীকৃতি লাভ করবে, এমনটি মনে করা যায় না। কারণ বাংলাদেশ ছাড়াও পৃথিবীতে গণহত্যার আরও দৃষ্টান্ত রয়েছে। আর্মেনিয়া, রুয়ান্ডা, জার্মানি ও বসনিয়া-হার্জেগোভিনায় সংঘটিত গণহত্যার কথা আগেই বলা হয়েছে। এছাড়া ১৯৭৫-৭৯ সালে কম্বোডিয়ায়, ২০০৩ সালে সুদানের দারফুরে এবং দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় জাপানে গণহত্যা হয়েছে।

তাই অনুমেয়, জাতিসংঘে ২৫ মার্চকে আন্তর্জাতিক গণহত্যা দিবস হিসেবে স্বীকৃতি প্রদানের ব্যাপারে প্রস্তাব পেশ করা হলে সেখানে হয়তো আলোচনার টেবিলে বিবেচনার কষ্টিপাথরে পৃথিবীর বিভিন্ন ভূখণ্ডে সংঘটিত গণহত্যার বিষয় সঙ্গত কারণেই আসবে। তখন বাংলাদেশ ও সংশ্লিষ্ট অন্যান্য দেশে গণহত্যায় নিহতদের সংখ্যা, নির্যাতন ও হত্যার মাধ্যম, নৃশংসতার মাত্রা ইত্যাদির তুলনামূলক বিচার-বিশ্লেষণ হতে পারে। প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, গণহতায় জার্মানিতে ৬০ লাখ ইহুদি ও অন্যান্য গোষ্ঠীভুক্ত আরও ৫০ লাখ, কম্বোডিয়ায় প্রায় ২০ লাখ, আর্মেনিয়ায় ১৫ লাখ, রুয়ান্ডায় ১০০ দিনে প্রায় ৮ লাখ, জাপানে ৫ লাখ, সুদানে ৩ লাখ এবং বসনিয়া-হার্জেগোভিনায় ১ লাখ মানুষ প্রাণ হারিয়েছে।

২৫ মার্চ আন্তর্জাতিক গণহত্যা দিবস হিসেবে জাতিসংঘের স্বীকৃতি পেলে এ গণহত্যা ও মানবতাবিরোধী অন্যান্য অপরাধের দায় ও কলংক পাকিস্তানকে বহন করতে হবে প্রজন্মের পর প্রজন্ম। এ কারণে পাকিস্তান এর প্রচণ্ড বিরোধিতা করাসহ নানা প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করতে পারে। কিন্তু আমাদের অভীষ্ট লক্ষ্যের পানে এগিয়ে যেতে হবে। আমরা নিশ্চয়ই চাইব, আমাদের মুক্তিযুদ্ধে শহীদদের আত্মত্যাগ এবং তাদের পরিবারের স্বজন হারানোর মর্মবেদনা সারা বিশ্বে সঞ্চারিত হোক। যদি ২৫ মার্চের ব্যাপারে বাংলাদেশের প্রস্তাব জাতিসংঘে পাস হয়, তাহলে তা হবে বাঙালি জাতির জন্য ২১ ফেব্রুয়ারির মতো আরেকটি অনন্য ঐতিহাসিক অর্জন।

(কানাডা প্রবাসী লেখক মোহাম্মদ আলী আজম খানের এই কলামটি গত ১২ মার্চ ঢাকার দৈনিক যুগান্তরে প্রকাশিত হয়।)

মোহাম্মদ আলী আজম খান : সাবেক প্রধান নির্বাহী, সামুদ্রিক মৎস্য দফতর ও সাবেক অধ্যক্ষ, মেরিন ফিশারিজ একাডেমি, চট্টগ্রাম।

maakbd@gmail.com

মন্তব্য