বিষন্নতার শিকার সাবিতের চলে যাওয়া কমিউনিটির জন্য একটি ওয়েকআপ কল

 

দুর্ঘটনা ঘটার আগেই ব্যবস্থা গ্রহণ করুন : সেলিম খন্দকার

 

পারিবারিক একটি অনুষ্ঠানে সাবিত খন্দকার (বাঁয়ে)। পাশে তার বাবা সেলিম খন্দকার ও মা শিল্পী খন্দকার (ডান থেকে)

পারিবারিক একটি অনুষ্ঠানে সাবিত খন্দকার (বাঁয়ে)। পাশে তার বাবা সেলিম খন্দকার ও মা শিল্পী খন্দকার (ডান থেকে)

টরন্টোর এক টগবগে প্রাণোচ্ছল যুবক সাবিত খন্দকার হঠাৎ করেই প্রাণচঞ্চলতা হারিয়ে নিজেকে গুটিয়ে নেয় সব কিছু থেকে। যৌবনদীপ্ত হাসিখুশি স্বভাবের সাবিত ঘর থেকে কোথাও বের হত না। যার চোখে স্বপ্ন ছিল একদিন স্বনাম ধন্য আইনজীবী হবে সে কেন এমন মনমরা হয়ে নিজের চারদিকে বিচ্ছিন্নতার একটি দেয়াল তুলে দিয়েছিল? বিষন্নতায় আক্রান্ত হয়ে সে কেন নিজের জীবনটাকে এভাবে ধ্বংস করে দিল?

সাবিতের এভাবে চলে যাওয়াকে কোনভাবেই মেনে নিতে পারছিলেন না বাবা সেলিম খন্দকার ও মা শিল্পী খন্দকার। গভীর শোকে মুহ্যমান পড়েছিলেন তারা। কমিউনিটিতেও নেমে এসেছিল গভীর শোকের ছায়া।

এ বিষয় নিয়ে আমরা কথা বলেছি সাবিতের বাবা সেলিম খন্দকারের সঙ্গে। সদ্য ছেলে হারানোর বেদনায় তীব্রভাবে কাতর থাকলেও তিনি কথা বলেছেন আমাদের সঙ্গে। তিনি বলেন, সাবিতের মৃত্যু আমাদের কমিউনিটির জন্য একটি ওয়েকআপ কল। এ বিষয়ে কমিউনিটিতে সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যেই মনে প্রচন্ড কষ্ট নিয়েও তিনি কথা বলেছেন। দিয়েছেন কিছু পরামর্শ। নিচে তা তুলে ধরা হলো:Ñ

সাবিত খুবই মিশুক প্রকৃতির ছিল। ছিল প্রাণোচ্ছল। লেখাপড়ায় মনোযোগ ছিল আবার ছিলও না। তার ইচ্ছা ছিল সে ল’ইয়ার হবে। সে বৃটেনে গিয়েছিল এ বিষয়ে পড়তে। আমি লাইন অব ক্রেডিট থেকে লোন নিয়ে তাকে পড়তে পাঠিয়েছিলাম। কিন্তু দুই বছর পড়ার পর সে একদিন আমাকে ফোনে জানালো, বাবা আমি আর পেরে উঠছি না। খুব কঠিন সাবজেক্ট। কিছু মনে করো না, আমি ফিরে আসতে চাই।

তখন সে কোর্স শেষ না করেই দুই বছর পরে ফিরে আসলো।

সাবিতের জন্ম কানাডাতেই ১৯৯০ সালের জানুয়ারীতে। তার এক বোন আছে। সে ফেঞ্চ ভাষার শিক্ষক। আমরা কানাডায় আসি ১৯৮৮ সালে।

ডিপ্রেশন বিষয়টা আসলে কি সে সম্পর্কে আমার কোন ধারণা ছিল না। আস্তে আস্তে আমার অভিজ্ঞতা হয়েছে এ বিষয়ে।

গত প্রায় তিন মাস ধরে সাবিত খুব চুপচাপ হয়ে গিয়েছিল। কোথাও যেত না। বললেও যেত না। আমাদের সঙ্গেও যেতে চাইত না। সাবিতের এক কাজিনের বিয়ে হলো, সেখানেও সে যায়নি। চার ভাই এক বোনের ছেলে-মেয়েরা মিলে টরন্টোতে আমাদের অনেক বড় ফ্যামিলি। প্রায় প্রতিদিনই কারো না কারো বাসায় দাওয়াত বা কিছু একটা উপলক্ষে গেদারিং লেগেই থাকে আমাদের।

ডিপ্রেশনের শিকার হয়ে সাবিত বাসায় নিজেকে বন্দি করে রাখলেও বাসার কাজে মাকে সাহায্য করতো। মাকে জিজ্ঞেস করতো মা তোমার কোন সাহায্য লাগলে আমাকে বলবে। নিচে বেইজমেন্টে গিয়ে সারাক্ষণ কম্পিউটার নিয়ে বসে থাকতো। খাবারের সময়ও খাবারটা নিয়ে চলে যেত নিচে। ডিপ্রেসড হলে মানুষের বিহেভিয়ার চেঞ্জ হয়ে যায়। কেউ এগ্রেসিভ হয়ে পড়ে, কেউ খুব চুপচাপ হয়ে পড়ে। অন্ধকারে থাকতে ভালবাসে। সাবিতের আচরণও বদলে গিয়েছিল। সে খুবই চুপচাপ হয়ে গিয়েছিল। মাকে হেলপ করার পাশাপাশি মাঝে মধ্যে আমাকেও বলতো, বাবা তোমার কোন হেলপ লাগবে? এ কাজটি সে আগে কখনো করেনি। আমাকে সে কোন দিন বলেনি বাবা তোমার হেলপ লাগলে আমাকে বল।

সাবিতের চুপচাপ হয়ে যাওয়ার বিষয়টি নিয়ে তার মা একটু উদ্বিগ্ন ছিল। তিনি দোয়া করতেন ছেলের জন্য। বলতেন আল্লাহ, তুমি আমার ছেলের চঞ্চলতাকে ফিরিয়ে দাও।

আমরা সবসময় তাকে পড়াশোনার বিষয়ে একটু চাপ দিতাম। কানাডায় আমাদের পরিবারটা বেশ বড়। আমার চার ভাই ও এক বোন এখানে থাকেন। তাদের ছেলে মেয়ে মিলিয়ে এখানে একটা বড় ফ্যামিলির মত আমরা। আমার ভাগ্নে-ভাগ্নি এরা অনেকেই লেখা পড়া শেষ করে প্রফেশনাল ডাক্তারসহ ভাল ভাল পজিশনে চাকরী করছে। কিন্তু সে কিছু করতে পারেনি, এই চাপটা তার উপর ছিল। সে দেখছিল সবাই ভাল কিছু করছে কিন্তু সে কিছু করতে পারছে না। এ সময়ে সে একাকিত্বও অনুভব করতে লাগলো। এটি শুরু হয় লন্ডন থেকে ফেরার পর। এবং দিন দিন এটি বাড়তে থাকে।

অন্যের সঙ্গে তুলনার একটি বিষয় ছিল। কারণ তার কাজিনরা ভাল ভাল পজিশনে

আছে কিন্তু সে কিছু করতে পারেনি। সময়ে সময়ে এ বিষয়গুলো তাকে বলা হতো। কিন্তু সে বলতো, না বাবা, আমি ডাক্তারী পড়তে পারবো না। ১৮/২০ ঘণ্টা লেখাপড়া করা আমার দ্বারা হবে না।

এই তুলনাটা আসলে ঠিক ছিল না।

তবে তাকে আমি বলতাম, বাবা তুমি কোন একটা ডিপ্লোমা কোর্সে ভর্তি হয়ে যাও। সবাই কি আর ডাক্তার ইঞ্জিনিয়ার হতে পারে? আর আমি তোমার ল’ইয়ার হওয়ার আশা ছেড়ে দিয়েছি।

ডাক্তারের কাছে সে নিজে থেকে একবার গিয়েছিল। কিন্তু হাসপাতাল থেকে যে ঔষধ দিয়েছিল সেগুলো খেলে নাকি তার ঘুম আসতো। তাই সে ঔষধগুলো ফেলে দিয়েছিল। আমরা তাকে ডাক্তারের কাছে যেতে বলতাম। কিন্তু সে যেতে চাইত না। ২৭ বছরের একটি ছেলেকে তো আর জোর করে ডাক্তারের কাছে নেয়া যায় না। পরে তার বোনের সঙ্গে সে একবার বসেছিল। প্রায় দেড় ঘন্টা দুই ভাই-বোনে বসে কথা বলে। বোনের অনুরোধে সে ডাক্তারের কাছে আবারো যেতে রাজী হয়েছিল। সে তখন শর্ত দিয়েছিল কেউ যাতে তাকে পড়াশুনার ব্যাপারে চাপ না দেয়। তার যে ব্যর্থতা সেগুলোর ব্যাপারে কেউ যাতে কোনরকম কথা না বলে। সে বলেছিল সে নিজেই গিল্টি ফিল করে তার ব্যর্থতাগুলো নিয়ে।

পরের দিন সে ফ্যামিলি ডাক্তারের কাছে যাবে বলে আমার কাছ থেকে মেট্রো পাস নিয়েছিল। ফ্যামিলি ডাক্তারের কাছ থেকে রেফারেল নিয়ে স্পেশালিস্ট এর কাছে তার যাওয়ার কথা ছিল। কিন্তু সে ডাক্তারের কাছে আর যায়নি।

আমাদের পরিবারে আর কারো ডিপ্রেশন সমস্যা নেই। সাবিতই প্রথম যে এই সমস্যায় ভুগছিল।

মার সঙ্গে খুব ঘনিষ্ঠতা ছিল তার। আমার সঙ্গে একটু দুরত্ব নিয়ে চলতো। বোনের সঙ্গেও ঘনিষ্ঠতা ছিল। মাঝে মাঝে বোনের বাসায় গিয়ে থাকতো সে।

বন্ধুবান্ধবের সঙ্গে যোগাযোগ ছিল। কিন্তু গত তিনমাস ধরে সেই যোগাযোগটা আর ছিল না। সাবিতের মৃত্যুর পর তার বন্ধুরা যখন এসেছিল তখন তারাও বলেছে, সাবিত কারো সঙ্গে যোগাযোগ করতো না। অথচ সে এরকম ছিল না। খুবই হাঁসি-খুশী থাকতো। মিশুক ছিল। বন্ধুদের বাড়িতে গেলে কিচেনে ঢুকে ফ্রিজ খুলে নিজেই খাবার খুঁজতো।

সাবিতের একজন বান্ধবী ছিল। সে টরন্টোর রায়ারসন ইউনিভার্সিটিতে পড়তো। একদিন সে আমার সঙ্গে তার পরিচয় করিয়ে দেয়। সেটা অনেকদিন আগের কথা। সাবিত তখন লন্ডনে। তখন আমি সাবিতকে বলি, বাবা তুমিতো কিছু কর না। তো মেয়েটি কতদিন তোমার জন্য অপেক্ষা করবে। তারচেয়ে ভাল, মিচ্যুয়াল আন্ডারস্ট্যান্ডিং এর মাধ্যমে তাকে জানিয়ে দাও সে যাতে তোমার জন্য আর অপেক্ষা না করে। পরে সাবিত তার মাকে বলেছিল সে মেয়েকে বিষয়টি জানিয়ে দিয়েছে। আর মেয়েটিও নাকি একটি ভাল ছেলে পেয়েছে। সুতরাং সাবিতও হ্যাপী। আসলে মেয়েটির সঙ্গে সাবিতের তেমন সিরিয়াস কোন সম্পর্ক ছিল না।

সাবিতের হবি ছিল বই পড়া। নানারকম বই কিনতো সে। মুভি দেখার শখও ছিল তার। মাঝে মাঝে টেবিল টেনিস খেলতো।

তার ভবিষ্যত স্বপ্ন ছিল ল’ইয়ার হবে। একটা বড় বাড়ি কিনবে। আমার যে লোন আছে বাড়ির পিছনে সেগুলো শোধ করে দিবে। আমি তাকে বলেছিলাম, বাবা আমার লোন তোমাকে শোধ করতে হবে না। তুমি আগে মানুষ হও, নিজের পায়ে নিজে দাড়াও। ল’ইয়ার হতে চেয়েছো সেটা হও। সেটাই হবে আমার বড় পাওয়া।

ছেলেকে নিয়ে মায়ের স্বপ্ন ছিল, ছেলের বিয়ে হবে। ঘরে বউ আসবে। নাতি নাতনীর মুখ দেখবে। আমার স্বপ্ন ছিল সে নিজের পায়ে দাড়াক এইটুকুই। সেলিম খন্দকারের কাছে জানতে চেয়েছিলাম, ছেলেকে হারিয়ে এখন তাদের মনে অবস্থা কি?

এ প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, মনের অবস্থাটা যে কি তা ভাষায় প্রকাশ করতে পারবো না। এটা যে কতটা বেদানাদায়ক, কতটা কষ্টদায়ক তা কেবল ভুক্তভোগীই অনুধাবন করতে পারবে। এটি বলে বুঝানো যাবে না।

সাবিতের মা সাবিতকে নাম ধরে কখনো ডেকেছে কি না তা আমার মনে নেই। সবসময়ই বাবা বলে ডাকতো। আমরা যখন সাবিতের কবর জিয়ারত করতে যাই, তখন সাবিতের মা যে ভাবে কান্নাকাটি করে দোয়া করে তখন আমার মনে হয় সাবিত মারা যায়নি, সে জীবিত আছে। সে আল্লাহর কাছে দোয়া করে বলে, আল্লাহ সাবিত এখন তোমার কাছে। তাকে তুমি দেখে রেখ। এই দৃশ্য অত্যন্ত হৃদয়বিদারক ও অসহনীয়। ঘরেও সাবিতের মা খুব কান্নাকাটি করে।

সেলিম খন্দকার বলেন, আমাদের আসলে ডিপ্রেশন সম্পর্কে ভাল ধারণা থাকা উচিত ছিল। এ বিষয়ে আমাদের কোন অভিজ্ঞতাই ছিল না। আর একটা কথা আমি বলবো, কোন সময়ই ছেলে-মেয়েদেরকে অন্যের সঙ্গে তুলনা করা ঠিক নয়। বিশেষ করে অন্যের সাফল্যকে উদাহরণ হিসাবে উল্লেখ করে নিজের ছেলে-মেয়ের উপর কখনোই চাপ সৃষ্টি করা উচিত নয়। অমুকে ডাক্তার হয়েছে, অমুকে ইঞ্জিনিয়ার হয়েছে – তুমি কেন পারবে না বা পারলে না এই জাতীয় কথা ছেলে-মেয়েদের উপর খুবই নেতিবাচক প্রভাব ফেলে।

প্রবাসে বাংলাদেশী বাবা-মায়েদের প্রতি আমার পরামর্শ বা অনুরোধ হলো, অন্য ছেলে-মেয়েদের সঙ্গে নিজের ছেলে-মেয়ের তুলনা কখনোই করবেন না। তাদের সঙ্গে ভাল বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক গড়ে তুলুন যাতে করে তারা আপনাদের উপর নির্ভর করতে পারে। কোন সমস্যা হলে যাতে বিনা সংকোচে আপনাদের সঙ্গে শেয়ার করতে পারে। তারা কোন সমস্যার কথা বললে সেটা হালকাভাবে নেয়া চেষ্টা করবেন না বা ফান করে তা উড়িয়ে দেয়ার চেষ্টাও করবেন না। ভাববেন না যে তারা পড়াশুনা ফাঁকি দেয়ার জন্য এরকম করছে।

ছেলে-মেয়েরা যদি একবার মনে করে যে তাদের কথাটা গুরুত্ব দেয়া হয়নি এবং সেটা যদি তাদের মনে কোন দুঃখবোধ জন্ম দেয় তবে তার পরিণতি ভাল হয় না। মনে রাখতে হবে আমাদের সময় আর আমাদের ছেলে-মেয়েদের সময় এক না। আমরা যে ভাবে বড় হয়েছি, আমাদেরকে যে ভাবে শাসন করা হতো সেই শাসন আজকের দিনের ছেলে-মেয়েদের করা যাবে না। আর এই প্রবাসে তো নয়ই।

আমি বলবো, জীবনটা শুধু বাড়ি, গাড়ি, মর্টগেজ, চাকরী আর লাইন অব ক্রেডিট নয়। আরো অনেক কিছু আছে। প্রবাসে আমাদেরকে আমাদের ছেলে-মেয়েদের কথা গুরুত্ব দিয়ে ভাবতে হবে। পরিবারে বাবা অথবা মা যে কোন একজনকে সময় বের করতে হবে ছেলে-মেয়েদের পিছনে ব্যয় করার জন্য যাতে করে তাদের সঙ্গে একটা ভাল বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক তৈরী হয়। তাদের মনে যাতে কখনো এইরকম মনোভাব সৃষ্টি না হয় যে তারা নিঃসঙ্গ। তাদেরকে ভাবতে শিখাতে হবে- তাদের যে কোন সমস্যায় নির্ভর করার মত তাদের পাশে তাদের বাবা – মা রয়েছে। গুরুত্বসহকারে তাদের বাবা-মা তাদের কথা শুনবে।

আমি আরো বলবো, কোন দুর্ঘটনা ঘটা পর্যন্ত অপেক্ষা করবেন না। তার আগেই ব্যবস্থা গ্রহণ করুন। কাজে কর্মে যতই ব্যস্ত থাকুন ছেলে-মেয়েদের সময় দিন। তারা কি করছে, কি করতে ভালবাসে এগুলো জানতে চেষ্টা করুন। বাবা-মা হিসাবে আপনারা যে তাদের জন্য ফিল করেন, তাদের যতœ নিচ্ছেন, তাদেরকে গুরুত্ব দিচ্ছেন এটা তাদের বুঝতে দিন। এটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। আমরা অনেকে আছি যারা ছেলে-মেয়েদের জন্য ফিল করি কিন্তু তা প্রকাশ করি না। এটাও ঠিক নয়। আপনাকে প্রকাশ করতে হবে। না হলে ছেলে-মেয়েরা বুঝবে কি করে?

আমি আমাকে দিয়েই উদাহরণ দিতে পারি। ছেলের জন্য আমার মায়া ছিল। সে যখন লন্ডনে গিয়ে ল পড়তে চাইল তখন আমি কষ্ট করে লোন করে তাকে পড়তে পাঠিছি। কিন্তু আমার ভালবাসার প্রকাশটা সে ভাবে হয়তো হয়নি। আমারও নিশ্চই কোন ব্যর্থতা ছিল। আমিতো হিউম্যান বিং।

মন্তব্য