পে চেক পেতে এক সপ্তাহ দেরী হলেই কানাডার সাধারণ কর্মজীবীদের প্রায় অর্ধেকেরই অবস্থা বেগতিক হয়ে দাড়ায়

এক পক্ষের পে চেক পেতে সপ্তাহখানেক দেরী হলে দৈনন্দিন জীবনের কর্মকান্ডে ছন্দপতন ঘটে অনেক কর্মজীবীর। ছবি:সিবিসি

এক পক্ষের পে চেক পেতে সপ্তাহখানেক দেরী হলে দৈনন্দিন জীবনের কর্মকান্ডে ছন্দপতন ঘটে অনেক কর্মজীবীর। ছবি:সিবিসি

প্রবাসী কণ্ঠ ডেস্ক : কানাডায় সাধারণ কর্মজীবী মানুষদের মধ্যে প্রায় অর্ধেকেরই অর্থনৈতিক অবস্থা এমন যে, কোন এক পক্ষের পে চেক পেতে সপ্তাহখানেক দেরী হলে দৈনন্দিন জীবনের কর্মকান্ডে ছন্দপতন ঘটে। সময় মত বাড়ি ভাড়া প্রদান, বাড়ির মর্টগেজ পেমেন্ট, ক্রেডিট কার্ডের বিল প্রদান, লাইন অব ক্রেডিট এর বিল প্রদান, টেলিফোন বিল প্রদান, গাড়ির পেমেন্ট, ইন্সুরেন্স প্রিমিয়াম প্রদান এমনকি সাপ্তাহিক গ্রোসারী করাও সমস্যা হয়ে দাড়ায়। সাম্প্রতিক কালের উর্ধ্বগামী খরচ এবং ঋণের মাত্রা বৃদ্ধির কারণে এই পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে। খবর কানাডিয়ান প্রেস এর।

কানাডিয়ান পেরোল এসোসিয়েশন কর্তৃক পরিচালিত এক জরীপে এই পরিস্থিতির চিত্র ফুটে উঠেছে। ঐ জরীপে অংশগ্রহণকারী ৪৭% কর্মজীবীই জানিয়েছেন এক সপ্তাহ দেরীতে পে চেক পেলে তাদের নিয়মিত অর্থনৈতিক বাধ্যবাধকতাসমূহ (উপরে উল্লেখিত) পুরণ করা কঠিন হয়ে পড়ে।

গত ২৭ জুন থেকে ৫ আগস্ট পর্যন্ত সময়ের মধ্যে পরিচালিত জরীপে ৪,৭৬৬ জন কর্মজীবীর তথ্য সংগ্রহ করা হয়। এদের মধ্যে শতকরা ৩৫ জন বলেন তাদের ঋণের বোঝার কারণে তারা সবসময় উদ্বিগ্ন অবস্থায় দিন কাটান।

গত নয় বছর ধরে এই জরীপ কার্যটি পরিচালিত হয়ে আসছে। আর এবারই প্রথম জরীপে অংশগ্রহণকারী ৩২% কর্মজীবী জানিয়েছেন তাদের বাড়ির মর্টগেজ পেমেন্ট করাটা সবচেয়ে বেশী কঠিন হয়ে উঠেছে। ক্রেডিট কার্ডের কিস্তি পেমেন্ট করাটা কঠিন হয়ে দাড়িয়েছে ২৩% কর্মজীবীর।

৩২% কর্মজীবী জানিয়েছেন উর্ধ্বগামী খরচ এর প্রধান কারণ হলো জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধি। আর ২৫% কর্মজীবী জানিয়েছেন অপ্রত্যাশিত খরচ বৃদ্ধি।

মন্তব্য